নিয়োগ দুর্নীতিতে তোলপাড় গোটা রাজ্য! একের পর এক দুর্নীতির মামলা প্রকাশ্যে আসছে। এরমাঝেই অন্যতম ছিল কনস্টেবলের নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। প্রায় ৮৪১৯ জন কনস্টেবলের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করা হয়। এবার এই মামলায় বুধবার নতুন করে নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারপতি। শুধু তাই নয়, আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, চাকরি চলে যেতে পারে কয়েকশো কনস্টেবলের। পাশাপাশি হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে ৮৪১৯ পদে নিয়োগের নতুন প্যানেল।
অমানবিক আচরণের জন্য মুর্শিদাবাদের স্কুল পরিদর্শককে ২ সপ্তাহের মধ্যে বদলির নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, স্কুল পরিদর্শক এই পদে কাজ করার উপযুক্ত নন। বদলি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই রায় কিন্তু শোরগোল ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার নাম জড়িয়েছে। গত মাসেই ইডির এক দল অভিযান চালায় নিউ আলিপুরের ওই অফিসে। টানা ১৮ ঘণ্টার তল্লাশির পর জরুরী কিছু নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন তারা।
দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই তদন্তের স্বার্থে তাঁকে তলব করে। অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ করার আবেদন জানানো হয় হাইকোর্টে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়ে দিলেন এখনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি।
শিক্ষা দুর্নীতি, পুরসভা দুর্নীতির পর এবার প্রকাশ্যে এসেছে সমবায় দুর্নীতি। আর এই দুর্নীতির তদন্তভার ইডি-সিবিআইয়ের হাতেই থাকবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ, এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তার পক্ষেই রায় দিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।
সোমবারই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্নের মুখে পড়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি ধমকের ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হতে না হতেই অনামিকার নিয়োগ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পর্ষদ।
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেস ডায়রি নিয়ে আদালতের ভিতরেই প্রবল দ্বিধায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কোন কেস ডায়রি পেশ করতে হবে তা বুঝতেই পারল না তারা। পরিস্থিতি বোঝাতে আসরে নামলেন খোদ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।