১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শুরুতে সরকারি চাকরির ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। বাকি ৪৪ শতাংশে নিয়োগ হত মেধার ভিত্তিতে। আজ সংরক্ষণ নিয়ে রায় দিয়েছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছে, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে।
এছাড়া ভুটানের বহু পড়ুয়াও বাংলাদেশ থেকে মেঘালয় হয়ে ঢুকেছেন ভারতে। বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকেও ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে ভারতীয়দের। খোলা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বরও। নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণের ওপরে জায়গা দিতে হবে মেধাকে, এই দাবিতেই বাংলাদেশে চলছে এই আন্দোলন।
গত কয়েকদিনে কোটা সংরক্ষণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে ৩২ জন পড়ুয়া আহত শতাধিক। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দফায় দফায় সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২১ জনের। তবে এদের সবথেকে বেশি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে রাজধানী ঢাকাতেই। সোমবারও ঢাকার মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের।
বর্তমানের এই মুখোমুখি অবস্থান, মারামারি, রক্তক্ষরণ কিছুতেই কাম্য ছিল না। বাংলাদেশের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী কোটাপ্রথার সংস্কার চান, মেরে–পিটিয়ে তাঁদের চুপ করানো যাবে না। আর যদি চুপ করানো সম্ভব হত, তাহলে গতকালের ছয়টা লাশ যথেষ্ট ছিল, আন্দোলনকারীদের চুপ করানোর জন্যে