কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ আর হিংসা অব্যাহত। এরমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার রাজধানী ঢাকায় এইসব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশ ঘোষণা না-হওয়া পর্যন্তবিশুক্রবার দুপুর থেকেই রাজধানীতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার এই ঘোষণা করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ফারুক হোসেন ।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সরকারের তরফে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রস্তাব দেওয়া হলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে। আর তার পরেই এই পদক্ষেপ হাসিনা সরকারের। ঢাকা পুলিশ সূত্রে খবর, বড় ধরনের হিংসা ও প্রাণহানির আশঙ্কাতেই এই জমায়েতে রাশ টানতেই কড়া পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।



বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি সংবাদপত্র জানিয়েছে, গত কয়েকদিনে কোটা সংরক্ষণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে ৩২ জন পড়ুয়া আহত শতাধিক। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দফায় দফায় সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২১ জনের। তবে এদের সবথেকে বেশি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে রাজধানী ঢাকাতেই। সোমবারও ঢাকার মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের।
ঢাকায় মিছিল-সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল হাসিনা সরকার, এবার বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা?



শুধু তাই নয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের পাশাপাশি শাসকদলের ছাত্র সংগঠন ‘ছাত্র লীগ’ হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে এই আন্দোলনের পেছনে বিরোধীদল বিএনপি এর দিকে উস্কানির অভিযোগ তুলছে হাসিনার সরকার। এই পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার শাসকদল আওয়ামী লীগ একটি সমাবেশ ডেকেছিল বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে। অপরদিকে পাল্টা সমাবেশ ডাকা হয়েছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এর তরফেও ।







