তাই এক্ষুনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে জেল মুক্তির সম্ভাবনা খুব কম। মনে করা হচ্ছে অন্যান্য মামলায় জামিন পেলেও সি বি আইয়ের করা মামলায় আপাতত জেলেই থাকতে হবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গত মে মাসে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ভোট প্রচারে যাতে তিনি অংশ নিতে পারেন, সেই কারণেই জামিন দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর গত ২ জুন তিহাড় জেলে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী।
সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করে ইডি৷ কেন্দ্রীয় এজেন্সির আবেদনের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের নির্দেশের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট৷ ফলে আটকে যায় কেজরিওয়ালের মুক্তি৷ নিম্ন আদালতের নির্দেশকে একপেশে বলে অভিযোগ করেছিল ইডি৷
যারা এই দুর্ঘটনায় তাঁদের নিষ্পাপ শিশুকে হারিয়েছে, আমরা সবাই তাঁদের পাশে আছি। সরকার ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আহতদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং যে কেউ এই অবহেলার জন্য দায়ী তাকে রেহাই দেওয়া হবে না।'
তিহাড়ে বন্দি থাকার সময় জেল থেকেই সরকারি সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। লোকসভা নির্বাচনী চলাকালীন ২১ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন তিনি। আর তার পরই তাঁর...
এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলুন, আমাদের দেশকে বাঁচান, ১৪০ কোটি মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইছি। দেশকে বাঁচানোর জন্য গোটা দেশে ঘুরব। সুপ্রিম কোর্ট আমাকে ২১ দিন সময় দিয়েছে। এক একটি দিন ২৪ ঘণ্টার হয়, আমি ৩৬ ঘণ্টা কাজ করব। আমার পুরো জীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করব: কেজরীবাল।