যদি প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে হয়, তাহলে তা গঠনমূলকভাবে করা উচিত, সহানুভূতি ও মানবতার সাথে, যাতে নিষ্ক্রিয়তা বা অবহেলার মাধ্যমে আর কোনো জীবন ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।
দলের সেই বক্তব্যে সিলমোহর পড়েছে বলে খবর। তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠক সফল হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এদিন ৪৫ মিনিট বৈঠক করেন বাংলার নায়ক।
মুখ্যমন্ত্রী তো বলেছেন এত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নাকি ভূ-ভারতে কোথাও হয়নি! তাহলে এত সন্ত্রাস হচ্ছে কেন? আসলে তৃণমূল নিজেদের ইমেজ বাঁচাতে অন্য দলকে দোষ দিচ্ছে। আমাদের পুলিশমন্ত্রী কে? যাবতীয় দায় তাঁর।’
এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করব। প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুপ্রিম কোর্টে যাব’। প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ জুন মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট।
তবে বায়রন তৃণমূলে চলে যাওয়ায় তাঁদের জোট ভেঙে গেল এ রকম মনে করেন না বর্ষীয়ান এই বাম নেতা। তিনি সাফ জানিয়েছেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলেই সব রাজনৈতিক বিশ্লেষণের পরিবর্তন হয়ে যায় না।
এমনই সব প্রতিভাবান ব্যক্তিকে সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অন্তরালে লুকিয়ে থাকা কোনও শিল্প সম্ভাবনাকে জনসমক্ষে তুলে ধরা হবে। তৃণমূলের অনেকেই মন করছেন পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নতুন কর্মসূচীতে সাফল্য আসবে ভোট বাঙ্কে।