আগামী ২৬ ও ৩১ মার্চ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও দু’জন সাক্ষী দিতে পারেন বলে জানা গেছে। ফলে মামলার মোড় কোনদিকে ঘুরবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা।
আমি মিডিয়ার মাধ্যমে আগে তাকে অনুরোধ করেছিলাম যেন সে রাজসাক্ষী হয়ে যায়। কারণ তার যে অপরাধ, তা মুছতে কোনও জায়গা নেই, তবে রাজসাক্ষী হলে কিছুটা কমবে। কিন্তু তার ভয়েই তিনি হাসপাতাল পরিবর্তন করেছেন।
তার শারীরিক অবস্থা এখন গুরুতর, এবং চিকিৎসকরা তাঁকে স্থিতিশীল রাখার জন্য বিশেষ চিকিৎসা দিচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা তার সুস্থতার জন্য উদ্বিগ্ন, কারণ কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি ঘটলে তার দায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর পড়বে।
এসএসকেএম হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসা হচ্ছেনা এই অভিযোগ করে আদালতে গিয়েছিলেন পার্থ। এর পর আদালতের নির্দেশে পার্থ বাবু নিজের টাকায় চিকিৎসা করাতে ভর্তি হয়েছেন মুকুন্দপুরের আরএন টেগোর হাসপাতালে।
এর আগে এজলাসে একাধিকবার দেখাও হয়েছে দু’জনের। একে অপরের দিকে তাকিয়ে কখনও মিষ্টি হাসিও হেসেছেন। এবার আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে কথা হল পার্থ-অর্পিতার। অর্পিতাকে দেখে পার্থ হাসিমুখে শুধু বলেন, ‘আসি, ভাল থেকো’।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল উত্তপ্ত। শুভেন্দুর মন্তব্যের ফলে তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে শুভেন্দু দাবি করছেন, জেলের মধ্যেও অপরাধীরা আরামপ্রিয় জীবনযাপন করছে, অন্যদিকে তৃণমূল অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
ইডির অভিযোগ, লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এই মামলার সূত্র ধরে ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সংস্থার আটটি সম্পত্তি ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা।