নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে শহিদ তর্পণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। সেই সভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু পুলিশের তরফে মিলল না অনুমতি। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভা ঘিরে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তাই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল গেরুয়া শিবির। আর কিছু সময়ের মধ্যেই বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে শুরু হবে মামলার শুনানি।


২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। পরের বছর থেকেই ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির তরফে এই দিনটিকে পালন করা হয়ে থাকে। বরাবর এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে তৃণমূল। কিন্তু ২১ সালের আগে থেকে এই কর্মসূচি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে।

কারণ, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম নেতা শুভেন্দু অধিকারী ২০২০ সালে বিজেপিতে যোগদান করেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই কেন্দ্র থেকেই পরাজিত করেন তিনি। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে নন্দীগ্রাম দিবস ঘিরে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। তৃণমূলের পাল্টা বিজেপি, আবার বিজেপির পাল্টা তৃণমূলকে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে দেখা গেছে।
নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভা ঘিরে জটিলতা, মামলা গড়াল হাইকোর্টে

এখন বিজেপি সঙ্গেই সংঘাতে জড়িয়েছে তৃণমূল। আবার নন্দীগ্রামের শহীদ দিবসের দিনে শুভেন্দুকে বলতে শোনা গেছে, বামপন্থীদের ভোটে জয়লাভ করেছেন তিনি। তবে কী নন্দীগ্রামের হাওয়া বদল হতে শুরু করেছে। গতবারের মতো এবারেও কোনও উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হবে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।










