নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। তদন্তে নেমে শান্তনুর বিরাট অঙ্কের সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। নিয়োগ দুর্নীতিতে তাঁর কারনামা নিয়ে চুপ ছিলেন হুগলী জেলার তৃণমূলের নেতারাও । এবার শান্তনুর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। শান্তনুর বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন দলের নেতারাই।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: জরুরি বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল সুপ্রিমো, কালীঘাটে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা


তৃণমূলের নেতাদের অভিযোগ, বরাবর বলাগড়ে তৃণমূলের আধিপত্য ছিল। তা স্বত্বেও নিজের পেটোয়া লোককে প্রার্থী করে জেতার জন্য সন্ত্রাস চালিয়েছিল শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। যাদের গ্রহণযোগ্যতা নেই, তাঁদের জেতাতেই এই কৌশল করেছিল শান্তনু। যার ফলাফল হিসেবে লোকসভা নির্বাচনে ওই এলাকায় পিছয়ে পড়ে তৃণমূল প্রার্থী রত্না দে নাগ। একাধিক নেতাদের বক্তব্য, তাঁদের ওপরেও হামলা হতে পারে। এই ভয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি অনেকেই।

স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, শানত্নু জেলে যাওয়ার পর জেলায় তৃণমূলের প্রভাব কমবে না। বরং গত কয়েক বছরে একজন সিমকার্ডের দোকানের মালিক থেকে যেভাবে বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি সে করেছিল, তা মানুষ মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। শুধুমাত্র নিয়োগ দুর্নীতি নয়, পুরশুড়া ও খানাকুলে মুণ্ডেশ্বরী-দামোদরের অবৈধ অনেক বালিখাদে শান্তনুর অংশিদারিত্ব ছিল। সমস্ত বালিখাদ থেকে আয়ের ৫ থেকে ৬ শতাংশ যেত শান্তনুর পকেটে।
ইতিমধ্যেই ইডির তরফে জানানো হয়েছে, শান্তনুর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ১১১ কোটিরও বেশী। চুঁচুড়া, বলাগড়, চন্দননগর সহ একাধিক জায়গায় তাঁর বিপুল অঙ্কের সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। গতকাল শান্তনুর একাধিক ঠিকানায় ধর্না দেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।


শান্তনুর বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন দলের নেতারাই, উঠে আসছে বিস্ফোরক তথ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোমবার ফের ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে। সূত্রের খবর, যুব তৃণমূল নেতাকে ফের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে। ইডি সূত্রে খবর, শান্তনুর বিপুল সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য আদালতে তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া, কুন্তল ঘোষের সঙ্গে যোগসাজশে শান্তনু যে টাকা তুলেছেন সেই সংক্রান্ত তথ্যও আদালতে পেশ করবে ইডি। শান্তনু যে আলাদাভাবে টাকা তুলেছে সেটাও তুলে ধরা হবে।







