নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বিধানসভা ভোটে রাজ্য জুড়ে জয়ধ্বজা ওড়ালেও নন্দীগ্রামে জয়ের মুখ দেখেনি তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে লড়াইয়ে নামলেও জয় আসেনি তৃণমূলের। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন ১৯৫৬ ভোটে। জামানত খুইয়ে সিপিআইএম দখল করে তৃতীয় স্থান। কিন্তু একবছরের মধ্যেই যেন ভোলবদল। নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির নির্বাচনে শূন্য হয়ে গেল বিজেপি!
আরও পড়ুনঃ CBI-এর নজরে এবার শঙ্কর, কেষ্টর রাইস মিল থেকে কোটি কোটি টাকার চাল কিনেছে রাজ্য?

শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে কার্যত গো-হারা হল বিজেপি। কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির ভোটে খাতাই খুলতে পারল না গেরুয়া শিবির। ৫২টি আসনের ৫১টিই দখল করল তৃণমূল। একটি মাত্র আসনে জয়ী হয়েছে বামেরা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের পর এই জয়ে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, এই ফলাফলে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ বিজেপি।

নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের হানু ভুঁইয়া, শিবরামপুর ও ঘোলপুকুরিয়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির মোট আসন ৫২। মোট ভোটার ২ হাজার ৫৬৪ জন। ৫২ আসনের, ১টিতে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। রবিবার ভোটের ফল বেরোতে দেখা যায়, বাকি ৫১টি আসনের মধ্যে ৫০টিই গিয়েছে তৃণমূলের দখলে। একটি আসনে জয়ী হয়েছে বামেরা।
শুভেন্দু-গড় নন্দীগ্রামে জয়ী তৃণমূল, ৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় CPIM, বিজেপি ‘শূন্য’

তৃণমূল পেয়েছে ৫২ শতাংশ ভোট, সিপিআইএম পেয়েছে ৩১ শতাংশ ভোট সেখানে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ১২ শতাংশ ভোট। এই জয়ের পর তৃণমূলের তরফে নন্দীগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতি ও দলীয় নেতা পরিতোষ জানা বলেন, এই জয় এলাকাবাসীর জয়। যে মীরজাফর, গদ্দার তিনি দেখে যান, সমবায়ে দাঁড়ালেও পরাজিত করব। নন্দীগ্রামের মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে।









