নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। প্রতিদিনেই একাধিক শাসক দলের নেতাদের দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে। এমনকি এর কারণে চাকরি হারিয়েছেন বহু জন। আবার যোগ্য হয়েও চাকরি না পেয়ে অপেক্ষা কুছেন কয়েক লক্ষ জন। এবার চাকরীপ্রার্থীদের ক্ষোভকে কাজে লাগানোর জন্য দলীয় কর্মীদের পরামর্শ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, প্রয়োজনে চাকরি প্রার্থীদের করতে হবে বুথ সভাপতি
আরও পড়ুনঃ England vs India: রুট-বেয়ারস্টো ঝড়ে এজবাস্টনে রেকর্ড জয় ইংল্যান্ডের


বিরোধি দলনেতার কথায়, পার্মানেন্ট পোস্টকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অবলুপ্ত করেছে। আমার বেকার ভাই বোনেরা জোট বাঁধুন। তৈরি হোন। আমি আমার মণ্ডল সভাপতিদের বলব, বুথ সভাপতিদের খুঁজে বের করুন। ওই গ্রামে গিয়ে এসএসসি কে দিয়েছিল? কারা টেট পাশ করে পিটিআই থাকার পরেও চাকরি পায়নি? যারা ১১ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে বঞ্চিত হয়েছে। তাঁদেরকে বুথ সভাপতির দায়িত্ব দেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে থাকলে প্রকৃত যন্ত্রণাটা কি? যিনি ভুক্তভুগী তিনি বুথের লোকেদের বলতে পারবেন।

পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, এটা শুধুমাত্র খারাপ বিবৃতি নয়, কুৎসিত মানসিক কথার প্রতিফলন। এই বক্তব্যের সঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র অগ্নিপথ প্রসঙ্গে মন্তব্যের সাদৃশ্য খুঁজে পাচ্ছেন তিনি। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল অগ্নিপথের পর কী করবে। তখন তিনি বলেছিলেন বিজেপির পার্টি অফিসের নিরাপত্তারক্ষী হিয়াবে কাজ দিতেই পারি। এখন শুভেন্দু বলছেন যারা চাকরির জন্য আন্দোলন করছেন, তাঁদেরকে বিজেপি বুথে এজেন্ট হিসাবে কাজে লাগানো হবে। সকার চাকরতি দিতে চাইলে বিজেপি, কংগ্রেস এবং সিপি(আই)এম আইনি জটিলতা তৈরি করে নিয়োগে বাধা দিচ্ছে।
চাকরি প্রার্থীদের করতে হবে বুথ সভাপতি, পাল্টা কটাক্ষ কুণাল সুজনের

বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে তোপ দেগে সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “চাকরী প্রার্থীদের বক্তব্য আমরা যারা চাকরি পাইনি, বঞ্চিত, লুঠ্যের শিকার হয়েছি, এর দাইয় তৃণমূলের। এই তৃণমূলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এখন দাবি করলে হবে? এই বেআইনি দুর্নীতিযুক্ত চাকরিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য উত্তসুরী শুভেন্দু অধিকারীরা কাজ করেছেন। তৃণমূলের বাহিনী নিয়েই তো বিজেপি। ফলে তারা বুঝতে পারছে বিজেপি হোক, তৃণমূল হোক, কাজের কাজ কিছু হবে না। মানুষের কাজ কর্মসংস্থানের বন্দোবস্ত যতটুকু হয়েছে, বামফ্রন্টের আমলে হয়েছে।










