সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত শুনানিতে ফের কড়া বার্তা। এনুমারেশন ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এফআইআর না হওয়ায় রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে শোকজ় করল শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে আদালত জানাল, ১৪ ফেব্রুয়ারির পর ইআরও-দের আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে—যাতে নথি যাচাই শেষ করে তাঁরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। নামের গরমিল ও নোটিস-বিতর্কের আবহে আদালতের এই নির্দেশে ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সূচি কার্যত পিছোল।
শুনানিতে আদালত স্পষ্ট করেছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা ইআরও-দের হাতেই থাকবে। নথি যাচাইয়ের জন্য বাড়তি সময় দেওয়ার উদ্দেশ্য একটাই—যেন গণহারে কোনও ভোটার বাদ না পড়েন। আদালতের মতে, প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।


এনুমারেশন ফর্ম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এখনও পর্যন্ত কোনও এফআইআর নথিভুক্ত না হওয়ায় আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে শোকজ় নোটিস দিয়ে হলফনামা দাখিল করে কারণ জানাতে বলা হয়েছে—কেন আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের আগের নির্দেশ—সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাসপেনশন—প্রসঙ্গে আদালত রাজ্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, “সাসপেনশনের পরামর্শ দেওয়া হলে আইন অনুযায়ী কী করতে হয়, রাজ্য নিশ্চয়ই জানে।” অর্থাৎ, কমিশনের নির্দেশকে হালকা ভাবে নেওয়া যাবে না—এই বার্তাই স্পষ্ট করেছে শীর্ষ আদালত।
সব মিলিয়ে, নোটিস জারি, নামের গরমিল, মাইক্রো অবজ়ার্ভারের ভূমিকা ও কর্মী-দায়িত্ব—এসব প্রশ্নের কেন্দ্রে রেখে আদালত প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ও আইনি দায়বদ্ধতার উপর জোর দিল।









