নজরবন্দি ব্যুরো: রক্ষাকবচের মেয়াদ আজ শেষে হবার কথা ছিল লালার। আর সেই মেয়াদ শেষ হলেই সিবিআই হেফাজতে আসার সম্ভবনা ছিল লালার। এই নিয়ে মোট আটবার কয়লা পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত লালাকে ডেকে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ রি-পোলিং হবে শীতলকুচিতে, ১২৬ নম্বর বুথ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালো কমিশন।


তবে কয়লা পাচারকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের সুরক্ষাকবচ থাকায় এখনও অনুপ মাঝি ওরফে লালাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে পারেনি সিবিআই। আজ সেই সম্ভবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেটা হলনা শীর্ষ আদালতের আদেশে। আজ কোর্ট জানালো কয়লা কেলেঙ্কারির অভিযোগে এখনও অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অনুপ মাজিকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না সিবিআই। আগামী বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি।
তার আগে পর্যন্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না। কয়লা পাচার কাণ্ডে ED’র সঙ্গে দ্রুতগতিতে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। ভারত ও বাংলাদেশে ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের চাঁইদের ধরতে তত্পর গোয়েন্দারা। বিনয়ের ভাই বিকাশের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করেছিল সিবিআই। পরে দিল্লি থেকে বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত মঙ্গলবার সপ্তমবারের জন্য নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছিলেন অনুপ মাঝি ওরফে লালা। তবুও তাঁর থেকে কোনও তথ্য জানতে পারেননি তদন্তকারীরা। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে মামলা দায়ের করে সিবিআই। সে সময়ই প্রকাশ্যে আসে অনুপ মাঝির নাম। সিবিআই তদন্তে নেমেই দাবি করেছিল কয়লা পাচার কাণ্ডের শিকর অনেক গভীরে বিস্তৃত।


তারপরই তদন্ত চালিয়ে এই কেলেঙ্কারিতে একের পর এক নাম জড়ায় একাধিক পুলিশসুপার, জেলাশাসক, ইসিএল ও রেল আধিকারিকদের। নাম উঠে আসে বহু প্রভাবশালী নেতা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও।







