নজরবন্দি ব্যুরো: কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের বঞ্চিত উপভোক্তাদের অধিকারের দাবিতে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রায়দিঘিতে বিশাল জনসভা করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এদিন জনসভার আগে বাইক র্যালি করে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার রায়দিঘিতে আসেন রাজ্য গেরুয়া চিফ। বাইক র্যালি থেকে শুরু করে জনসভা এদিন সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে উপচে পড়ে ভিড়।
আরও পড়ুন: ফের নামবদলের প্রস্তাব পাশ যোগীরাজ্যে, আলিগড় হয়ে যেতে পারে হরিগড়!


এর আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। কলকাতায় প্রায় ১ লক্ষ বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়ে জনসভা করার কথা ঘোষণা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই চলছে নাম সংগ্রহের কাজ। ‘বঞ্চিত’-দের তালিকা প্রস্তুত হলেই মহানগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে। নেতৃত্বে থাকবেন গেরুয়া নেতারা।

আজ রায়দিঘির জনসভাতে সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও বিজেওই নেতাদের মধ্যে নভেন্দু নস্কর, দীপঙ্কর জানা, সুব্রত হালদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সুকান্ত এদিন রায়দিঘীর মানুষদের সামনে প্রস্তাব রাখেন তাঁরা যদি কেউ কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন তাঁদের নাম জমা করতে।

এদিন জনসভায় সুকান্ত মজুমদার বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা তৃণমূলের নেতারা মেরে দিয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর একটা টাকাও নষ্ট হতে দেব না। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে নিজেদের নামে চালাতে চাইছে। এই অন্যায় বেশি দিন সহ্য করা হবে না।”



জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারির প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, “আমি বনগাঁয় জনসভা করতে গিয়ে বলেছিলাম জ্যোতির জ্যোতি বেশিদিন থাকবে না! আর তাই হল। গ্রেফতার হলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুনছি আজ সকালেও নাকি ১৭ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে।”

সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে বান্ধবীদের নিয়ে কম্পিটিশন থাকে। কার কত বান্ধবী! পার্থ চট্টোপাধ্যায় ধরা পড়ার সময় জানা গিয়েছিল অর্পিতার কথা। কিন্তু এই বান্ধবী ব্যাপারে সব থেকে এগিয়ে রয়েছেন মদন মিত্র। তাই তৃণমূল কর্মীদের স্ত্রীদের অনুরোধ করব আপনারা আপনাদের স্বামীকে এইসব তৃণমূল নেতাদের মতো হতে দেবেন না।”
কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বঞ্চিত উপভোক্তাদের অধিকারের দাবিতে রায়দিঘিতে বিশাল জনসভা সুকান্তর


সুকান্ত মজুমদার আরও যোগ করেন, “ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে দেখলাম লেখা রয়েছে হাম ঝুকেগা নেহি! আর আমি বলছি ইডি রুকেগা নেহি। যতই চেষ্টা কর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেউ বাঁচাতে পারবে না।”








