নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেহালার ঘটনা নিয়ে কড়া তৃণমূল! বাবন ওরফে সোমনাথকে বহিস্কার করল দল। সে কথা জানালেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার রাতে বেহালা পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার চড়কতলায় হঠাৎই গোলমাল বাঁধে। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই সংঘর্ষ হচ্ছে। ইট ছোড়া হয়, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে, বিধানসভায় ফের সরব রাজ্যপাল


গুলির শব্দও অনেকে শুনতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। ঘটনার পর থেকেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরেই বেহালা ঘাসফুলের শক্ত ঘাঁটি বাম আমলেও বেহালা থেকে জয়ী হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বেহালা একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

তাই দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কাজ কেউ করলে তাকে রেওয়াত করা হবে না তাও মমতার তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে বুধবারই এলাকা পরিদর্শন করেছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। কথা বলেছেন সাধারণ মানুষের সাথে। এর পরেই বৃহস্পতিবার সকালে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান বাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যরা।
তাদের দাবি বাপন নির্দোষ। কিন্তু বিধায়ক জানাচ্ছেন খোঁজ নিয়ে দেখেছি বাপন নির্দোষ নয়। এলাকায় গিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে বাপনের নাম জানতে পেরেছি। এই বিষয় নিয়ে রচনা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি কখনোই চাইনা আমার এলাকায় যারা আমাকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন তারা রাতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুমোতে যান। রাস্তায় যত গাড়ি ছিল ভাঙচুর করা হয়েছে আমি এলাকায় শান্তি চাই’।


বেহালার ঘটনা নিয়ে কড়া তৃণমূল! বাপনের সব কীর্তি জানতেন রত্না
এতদিন ধরে বাপন তোলাবাজি করছে আর সেটা দল জানে না? এ প্রশ্ন করাতেই রত্না স্বীকার করে নিয়েছেন, তিনি সবটাই জানতেন সাবধানও করেছিলেন। বেহালা পূর্বের বিধায়ক আরো বলেন, ‘এইসব ছোট ছোট ঘটনা সবটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে যায় না আমি অবগত ছিলাম বহুবার ডেকে ওকে বলেছি সাবধান করেছি বলেছি এইসব চলবে না আমার এলাকায়। এরপরেও যদি কেউ কথা না শোনে তাহলে তো দল ব্যবস্থা নেবেই।








