নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে ৬৬৩ দিন ধরে রাজপথে বসে আন্দোলন জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, দ্রুত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ শুরু করুক সরকার। অপেক্ষার দিন শেষ। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির মাঝে চাকরি প্রার্থীদের মুখে হাসি ফোঁটাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ওয়েটিং লিস্টে থাকা যোগ্যদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করল কমিশন। নবম ও দশম শ্রেণীর নিয়োগের জন্য ৬৫ জনকে স্কুল বেছে নেওয়ার জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। এমনটাই খবর কমিশন সূত্রে।
আরও পড়ুনঃ সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে নিজাম প্যালেসে তলব, বিরাট অনুসন্ধানে নামল CBI


স্কুল সার্ভিস কমিশনের ক্ষেত্রে চুড়ান্ত দুর্নীতির কথা আগেই আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য থেকে প্রাক্তন উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শান্তিপ্রসাদ সিনহা ও অশোক সাহারা এখন জেলবন্দি। তাঁদের বিরুদ্ধে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে তদন্তকারী সংস্থা।

অন্যদিকে, নিয়োগ মামলায় তদন্তকারীদের রিপোর্টের ভিত্তিতে নবম ও দশম শ্রেণীর নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮৩ জন শিক্ষককে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর মধ্যে ১০২ জন চাকরি আর যোগ দেননি। বাকিদের মামলা চলার কারণে তাঁরা এখনও চাকরি করছেন। ওই ১০২ শূন্যপদে কাউন্সেলিং শুরু করার নির্দেশ দেয় আদালত। পরে আদালতের নির্দেশ মেনে ৬৫ জনের কাউন্সেলিং শুরু হয়। ৬ তারিখের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
অপেক্ষার দিন শেষ, যোগ্যদের নিয়োগ শুরু

তবে বাকি পদে নিয়োগ কী হবে? কমিশনের আইনজীবীর কাছে এই প্রশ্ন আগেই তুলে ধরেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন ছিল, তাহলে কী বাকি পদে নিয়োগের জন্য আর কেউ নেই? শুক্রবারের কাউন্সেলিং সম্পর্কে কমিশনকে রিপোর্ট জমা দিতে বল আদালত। একইসঙ্গে ওয়েটিং লিস্টে কতজন প্রার্থী রয়েছে? সেটাও জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।









