নজরবন্দি ব্যুরোঃ পরেশচন্দ্র অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরির আসল দাবিদার কে? এই মুহূর্তে নিয়োগ দুর্নীতিতে আঙুল উঠছে সেদিকেই। কারণ ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, ববিতা সরকারের নিয়োগ বৈধ নয়। স্কুল সার্ভিস কমিশন-এর কাছে আবেদন করার সময় স্নাতকস্তরের শতকরা নম্বর বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠছে অঙ্কিতা অধিকারীর বদলে চাকরি প্রাপক ববিতার বিরুদ্ধে। অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ববিতা।
আরও পড়ুনঃ
সোমবার হাইকোর্টে গেলেন স্কুলশিক্ষিকা ববিতা। আদালত সূত্রে খবর, তাঁর আবেদন গ্রহণও করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি নির্দেশ, ববিতার আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলায় এসএসসি-কে যুক্ত করতে হবে। আগামী বুধবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি।

ববিতার স্নাতকস্তরের প্রাপ্ত নম্বরের শতকরা হিসাব ৬০ শতাংশ বা তার বেশি উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনপত্রে। কিন্তু আসলে স্নাতক স্তরে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৪৪০ নম্বর পেয়েছেন ববিতা অর্থাৎ, শতকরা হিসাবে ৫৫ শতাংশ। যে কারণে ববিতার ‘অ্যাকাডেমিক স্কোর’ গণনায় ভুল হয়েছে। এক্ষেত্রে ববিতার ‘অ্যাকাডেমিক স্কোর’ ৩৩-এর বদলে কমে ৩১ হবে। এতে র্যাঙ্কিংয়েও অনেকটাই পিছিয়ে পড়বেন ববিতা। ফলে এই চাকরির প্রাপক যে তিনি নন তা সঠিক। এপ্রসঙ্গে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভুল তথ্যের কারণে কারও চাকরি হয়ে থাকলে সমাজের কাছে তা আরও খারাপ।’’
এক চাকরি একাধিক দাবিদার! মন্ত্রীকন্যার জায়গায় মিসফিট ববিতাও, হাইকোর্টে মামলা

যেহেতু পিছিয়ে পড়বেন ববিতা সেক্ষেত্রে র্যাঙ্কিংয়ে উঠে আসছে অনামিকার নাম। অনামিকা বলেন, “মেরিট লিস্টে অন্তত ১৪ জনের পিছনে চলে যাওয়ার কথা ববিতার। সে ক্ষেত্রে চাকরিটা তাঁর কোনও ভাবেই প্রাপ্য নয়। বয়সের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রার্থী হিসাবে এই চাকরিটা আমারই পাওয়ার কথা। আমি চাই, চাকরিটা আমায় দেওয়া হোক।’’



