নজরবন্দি ব্যুরোঃ না জানিয়েই বিজেপি-র রাজ্য কমিটিতে নাম! ফের জল্পনা বাড়ালেন শোভন। আজ শোভন চট্টোপাধ্যায়কে স্থান দেওয়া হল বিজেপি-র রাজ্য কমিটিতে। শোভন চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও এদিন রাজ্য কমিটিতে যায়গা দেওয়া হয় মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় এবং সিপিআইএম থেকে আসা বঙ্কিম ঘোষ কে। সূত্রের খবর মুকুল রায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে ফিরে যেতে পারেন এমন আশঙ্কা থেকেই তড়িঘড়ি এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এর পরেই জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন শোভন।
আরও পড়ুনঃ আজ রাত কাটছে লকআপে, কাল জেল। জামিনের আর্জি খারিজ রিয়া-র।


না জানিয়েই বিজেপি-র রাজ্য কমিটিতে নাম! বিজেপির রাজ্য কমিটিতে স্থান পেয়েও শোভন চট্টোপাধ্যায় খুশি নন বলে ইঙ্গিত দিলেন নিজেই! নতুন জল্পনা তৈরি করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কোনও আলোচনাই করেননি পার্টির কেউ। তাঁকে না জানিয়েই তাঁর নাম রাখা হয়েছে রাজ্য কমিটিতে। তিনি বলেন “আমাকে দলের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম থেকেই আমি জানতে পেরেছি সব।” তাঁর কথায়, “শিবপ্রকাশজি, অরবিন্দ মেননজি-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আমি খুব স্পষ্টভাবে আমার বক্তব্য জানিয়েছি। এর বাইরে আমি কিছু মন্তব্য করতে চাই না। শুধু বলতে চাই, সবকিছু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দল চালানো যায় না!”
উল্লেখ্য, অনেক বিতর্কের পরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেও বঙ্গ বিজেপির নেতাদের আচরণে কিছুটা মোহভঙ্গ হয় তাঁর। এর পরে বিজেপি শত চেষ্টা করেও তাঁকে কোনও মিটিং বা সভাতে আনতে পারেনি। কলকাতা পুরসভার মুখ করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত শোভনের পিছনে পড়েছিল, কিন্তু সাড়া দেন নি শোভন বাবু।
বিজেপির রাজ্য কমিটি-তে শোভন। মুকুলের পর তৃণমূলের সবথেকে হেভিওয়েট শোভনই বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। কলকাতা পুরসভার মুখ করে তোলার মতো একজন নেতা পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু শোভন বিজেপিতে যোগ দিয়েও নিষ্ক্রিয় থেকে গিয়েছেন।বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সঙ্গে সেভাবে তাঁর বনিবনা হচ্ছিল না। কেন্দ্রীয় অফিসে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান আর ফিরে দিলীপের হাতে সংবর্ধনাই শেষ বিজেপি সফর শোভনের।


তারপর অনেক বুঝিয়েও বিজেপির কোনও সভাতে আনা যায় নি শোভন বাবুকে। এই পরিস্থিতিতে জ্বল্পনা শুরু হয় শোভন কি তৃণমূলে ফিরছেন? এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন মেয়রের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি কদিন আগে বলেন, ‘‘করোনা পরিস্থিতি কেটে গেলেই সকলে তা জানতে পারবেন।’’ অন্যদিকে তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করেছেন একাধিক তৃণমূল নেতা তাই তিনি তৃণমূল ছেড়েছেন বলে এক বৈদ্যুতিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন তিনি।








