তুমি হাতটা শুধু ধরো……। শান্তিতে শোভন, ডাক্তার ডাকতে হয়নি বলছেন বৈশাখী।

তুমি হাতটা শুধু ধরো......। শান্তিতে শোভন, ডাক্তার ডাকতে হয়নি বলছেন বৈশাখী।
তুমি হাতটা শুধু ধরো......। শান্তিতে শোভন, ডাক্তার ডাকতে হয়নি বলছেন বৈশাখী।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ তুমি হাতটা শুধু ধরো, আমি হবনা আর কারও… স্বামী কেন আসামী বা চিরদিনই তুমি যে আমার এর পর শোভন বৈশাখী যুগলন্দীকে নিয়ে এটাই এখন নেটিজেনদের কাছে আকর্ষনীয় ক্যাচলাইন। রাজ্য রাজনীতি এখন তোলপাড় নারদা কাণ্ড নিয়ে। প্রথমে জেল হেফাজতে পাঠানো হলেও আপাতত চার হেভিওয়েটকে গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিকে এসবের মধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে ফিরে এসেছে সেই পুরনো কানন-বৈশাখী-রত্না সমীকরণ। শোভন গ্রেফতার হতেই নিজাম প্যালেসে ছুটে যান রত্না।

আরও পরুনঃ গতি বাড়িয়ে দিঘার আরও কাছে ঘুর্নিঝড় ‘ইয়াস’, আছড়ে পড়বে সময়ের আগেই।

প্রশ্ন ওঠে তবে কোথায় গেলেন বৈশাখী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে যায় চরম বিপদে বৌ পাশে থাকে বান্ধবী নয়। কিন্তু রাত হতেই আসরে ফেরেন বৈশাখী। জেলের দরজার সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়া থেকে হাসপাতালে শোভনের পাশে সবসময় দেখা গেছে বৈশাখীকে। শনিবার ব্যক্তিগত রিস্ক বন্ডে সই করে এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে প্রেসিডেন্সি জেল হয়ে গোলপার্কের বাড়িতে যান শোভন।  তিনি ফিরে গিয়েছে গোলপার্কের বহুতলে। আর প্রাক্তন মেয়র কে মুখ খুলেছেন বৈশাখীও।

বৈশাখী বলেন, শান্তিতে আছেন শোভন, কোন ডাক্তার ডাকার প্রয়োজন হচ্ছে না এখন। বৈশাখী জানান, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও দাদার মৃত্যু নিয়ে মানসিক ভাবে চাপে রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘বাড়ির পরিবেশ ওঁকে অনেকটা শান্তি দিয়েছে। তিনি টিভি দেখছেন, খাচ্ছেন, খবর দেখছেন। অক্সিজেন, নেবুলাইজার কোনও কিছুরই দরকার পড়েনি। তবে এখনও বুকে অল্প ব্যথা আছে। হাসপাতাল থেকে ১৪ দিনের যে ওষুধ খেতে বলা হয়েছিল সেটা চলছে।”

তুমি হাতটা শুধু ধরো, মিম প্রসঙ্গে এদিন মুখ খুলেছেন বৈশাখীর স্বামী। মৌনব্রত ভেঙে মুখ খুলে বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী মনোজিত মন্ডল বলেছেন, “রত্না চট্টোপাধ্যায়কে সে ভাবে চিনি না। কথা হয়েছে ১ থেকে ২ বার। উনি এখন স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। ডিভোর্সের কেস চলছে, স্বাভাবিক ভাবেই উনি ভেঙে পড়েছেন। রত্না দেবীর চিকিত্‍সা দরকার। উনি অসুস্থ।”

এরপরেই স্ত্রীর পরকীয়া মেনে নিয়ে মনোজিতবাবু বলেন “বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় বা কেও একটা ২২ বছরের সম্পর্ক ভেঙে দেবেন কি করে। তিনি আরও বলেন, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আসল কারণ আমরা সবাই জানি কোর্টও জানে। তাই বৈশাখী কখনই শোভন রত্না দেবীর ডিভোর্সের কারণ হতে পারে না। পরকীয়া তো এখন লিগ্যাল হয়ে গেছে। এটা কোনো অসুবিধার নয়। করতেই পারে যে কেউ পরকিয়া।”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here