নজরবন্দি ব্যুরো: আমি নিরপরাধ, আমাকে অপরাধী সাজানো হচ্ছে, আদালতে ঢোকার মুখে দাবি করলেন যাদবপুরকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সৌরভ চৌধুরী। মঙ্গলবার সৌরভ সহ দীপশেখর দত্ত ও মনোতোষ ঘোষকে ফের একবার আলিপুর আদালতে তোলে পুলিশ। এই ধৃত তিনের বিরুদ্ধে সরাসরি র্যাগিংয়ের চার্জ আনা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এদিন আদালতে প্রবেশের মুখে সৌরভ চৌধুরী সাংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি অপরাধী নই। অপরাধী সাজানো হচ্ছে আমাকে”। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার আগেই পুলিশ সৌরভকে আদালতের ভিতর নিয়ে যায়। এর আগেও সৌরভ দাবি করেন যে, তিনি কোনও অপরাধ করেননি, গরীব বলে তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে। যদিও আজ বাকি দুই অভিযুক্ত দীপশেখর দত্ত ও মনোতোষ ঘোষ কিছু বলেননি।

ধৃত তিন পড়ুয়া সৌরভ চৌধুরী, দীপশেখর দত্ত ও মনোতোষ ঘোষের বিরুদ্ধে আগেই ৩০২ ধারায় খুন এবং ৩৪ ধারায় সম্মিলিত অপরাধের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছিল। এবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘র্যাগিং ইন এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন অ্যাক্ট, ২০০০’ অর্থাৎ, অ্যান্টি র্যাগিং বা র্যাগিং বিরোধী আইনের ধারাতেও মামলা রুজু করার আবেদন করা হবে আদালতে। দোষী সাবস্ত্য হলে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকার জরিমানা হতে পারে।

যাদবপুরকাণ্ডে উঠে আসছে আরেক ফেটসু (FETSU) ছাত্রনেতা অরিত্র মজুমদারের নাম। সৌরভ সহ সংশ্লিষ্টরা এই নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। যদিও অরিত্র ওরফে আলু ফেসবুকে জানিয়েছেন, তিনি এই ঘটনায় যুক্ত না, তিনি নাকি ঘটনার পরের দিনই কাশ্মীরে চলে গিয়েছিলেন। যদিও অরিত্রর এই বয়ান কতটা সত্যি তা জানতে তাঁকে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি তলব করেছে।
এখনও পর্যন্ত যে ১৩ জন ছাত্র গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী, নাসিম আখতার, হিমাংশু কর্মকার ও সপ্তক কামিল্যা, পড়ুয়াদের মধ্যে রয়েছেন দীপশেখর দত্ত, মনোতোষ ঘোষ, অসিত সর্দার, সুমন নস্কর, মহম্মদ আরিফ , আসিফ আফজল আনসারি, অঙ্কন সরকার, সত্যব্রত রায় এবং জয়দীপ ঘোষ।
আমাকে অপরাধী সাজানো হচ্ছে, আদালতে ঢোকার মুখে দাবি অভিযুক্ত সৌরভের




