নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরকাণ্ডে একদম প্রথমে ধৃত তিন পড়ুয়া সৌরভ চৌধুরী, দীপশেখর দত্ত ও মনোতোষ ঘোষকে মঙ্গলবার ফের একবার আদালতে তুলতে চলেছে পুলিশ। আর এবার তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি র্যাগিংয়ের চার্জ আনা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সঙ্গে তাঁদের আবার পুলিশি হেফাজতে রাখার জন্য আবেদন করা হতে পারে। এখন একটা প্রশ্ন, দোষী সাব্যস্ত হলে কী শাস্তি হতে পারে ধৃতদের?
আরও পড়ুন: ছাত্রমৃত্যুর ১১ দিন পর ‘নিখোঁজ’ অরিত্রর হদিশ মিলল, অভিযোগের জবাব দিতে ফেসবুক পোস্ট
ধৃত তিন পড়ুয়া সৌরভ চৌধুরী, দীপশেখর দত্ত ও মনোতোষ ঘোষের বিরুদ্ধে আগেই ৩০২ ধারায় খুন এবং ৩৪ ধারায় সম্মিলিত অপরাধের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছিল। এবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘র্যাগিং ইন এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন অ্যাক্ট, ২০০০’ অর্থাৎ, অ্যান্টি র্যাগিং বা র্যাগিং বিরোধী আইনের ধারাতেও মামলা রুজু করার আবেদন করা হবে আদালতে। দোষী সাবস্ত্য হলে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকার জরিমানা হতে পারে।

র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মৃত্যু হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। নদীয়ার বগুলা গ্রাম থেকে বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও সাহিত্যকে ভালোবেসে নিজের স্বপ্নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে এসেছিল সে। আর এই ছাত্রমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বর্তমান ছাত্র তো আবার কেউ প্রাক্তনী। ঘটনার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশকে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিনিয়র ছাত্ররা। ডাকা হয় চার বার জিবি মিটিং। আর এই সব তথ্যই উঠে এসেছে ধৃতদের জেরা করে।

এখনও পর্যন্ত যে ১৩ জন ছাত্র গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরী, নাসিম আখতার, হিমাংশু কর্মকার ও সপ্তক কামিল্যা, পড়ুয়াদের মধ্যে রয়েছেন দীপশেখর দত্ত, মনোতোষ ঘোষ, অসিত সর্দার, সুমন নস্কর, মহম্মদ আরিফ , আসিফ আফজল আনসারি, অঙ্কন সরকার, সত্যব্রত রায় এবং জয়দীপ ঘোষ।
যাদবপুরকাণ্ডে সরাসরি র্যাগিংয়ের চার্জ আনছে পুলিশ, দোষী সাব্যস্ত হলে কী শাস্তি হতে পারে ধৃতদের?




