ফুটপাত দখল মুক্ত করতে হবে, বেআইনি জবরদখল উচ্ছেদ করতে হবে, গত সপ্তাহে নবান্নের বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই নির্দেশের পর থেকেই শুরু হয়েছে উচ্ছেদ অভিযান। রাজ্যের নানান প্রান্তে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালায় পুলিশ। বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় অনেক দোকান, ঝুপড়ি। নানান বেআইনি জবরদখল করা নির্মাণও ভেঙে ফেলা হচ্ছে, দেওয়া হচ্ছে নোটিশ।



এই পরিস্থিতিতে বোলপুরে সোনাঝুরির হাটের ছটি বাড়ি ও দুটি রিসোর্টকে নোটিস বনদপ্তরের। বনদপ্তরের অনুমান, ওই বাড়ি এবং রিসোর্টগুলি বনদপ্তরের জায়গায় রয়েছে। সেই কারণে জমির বৈধ কাগজ তলব করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় নোটিসের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পাশাপাশি সোনাঝুরি, খোয়াই হাট কর্তৃপক্ষকেও নোটিস করা হতে পারে বলে জানা যায়। বোলপুরের বনদপ্তরের আধিকারিক জ্যোতিষ বর্মন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই সোনাঝুরিপল্লির হাট সংলগ্ন বেশ কয়েকটি বাড়ি ও কয়েকটি রিসোর্টের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়”। তবে এই সবের মধ্যেই চিন্তায় পড়েছেন সোনাঝুরি হাটের কুটিরশিল্পী ও হস্তশিল্পীরা।


উচ্ছেদ অভিযানের কবলে এবার শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট! কী বলছে বন দফতর

তাঁরা মনে করছেন উচ্ছেদ অভিযানের কবলে এবার শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট! আগামী দিনে আর হয়ত থাকবে না এই বিখ্যাত হাট। এই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বন দফতরের রেঞ্জার জ্যোতিষ বর্মণ জানাচ্ছেন, “প্রয়োজনে হয়ত সোনাঝুরি হাট কর্তৃপক্ষকেও নোটিশ দেওয়া হতে পারে”। তাঁর ইঙ্গিত, হয়ত হাট তুলেও দেওয়া হতে পারে। বন দফতরের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে এই হাট। ফলে এই হাট তুলে দিলে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়ার কথা বলছেন তারা।







