নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুলের চেয়ারম্যান হওয়া ‘অষ্টম আশ্চর্য’ রাজ্যপাল সাক্ষাতে সেরকমই জানিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুকুল ইস্যুতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে গেরুয়া শিবির। মুকুল রায় কোন দলের, কেন চেয়ারম্যান পদে বসলেন, শাসক দল কেন করলো এসব একাধিক প্রশ্ন গেরুয়া শিবিরে।
আরও পড়ুনঃ সেপ্টেম্বর থেকেই দেশে তৈরি হবে স্পুটনিক-ভি, কাজে নামতে প্রায় প্রস্তুত সেরাম
সেসব নিয়ে নালিশ জানাতে আজই রাজ্যপালের কাছে গিয়েছেন শুভেন্দুর ক্যাপ্টেন্সিতে পদ্মবনের বিধায়করা। দেড় মাসের ভিতরের রাজ্যের হাল হকিকত নিয়ে নালিশ জানাতে এই নিয়ে তৃতীয় বার রাজভবনে তাঁরা। মুকুল PAC চেয়ারম্যান, প্রস্তাবের দিন থেকেই মানতে পারেনি গেরুয়া শিবির। বারবার মুকুলের বিজেপি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলেছিলেন গেরুয়া শিবিরের বাকিরা। দলত্যাগ বিরোধী আইনের কথাও তুলে এনেছিলেন শুভেন্দু।
মুকুলের চেয়ারম্যান হওয়া ‘অষ্টম আশ্চর্য’, শুভেন্দু বলছেন ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ মমতা সরকার।

তবে সেসব পেরিয়ে আপাতত বিধানসভার PAC চেয়ারম্যান হয়েছে মুকুল রায়। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসার পরেও খাতায় কলমে বিজেপির বিধায়ক হিসেবেই রয়ে গিয়েছেন মুকুল রায়। আর এখানেই ক্ষোভ তাঁর প্রাক্তন দলের সহকর্মীদের। তারা বলছেন মুকুলের চেয়ারম্যান হওয়া ‘অষ্টম আশ্চর্য’।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, “এই রাজ্যে কীভাবে ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ একটা সরকার গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছে তা আমরা গোটা দেশকে জানাতে চাই।” সেই নিয়েই আজ বিধানসভার বাকি কমিটির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা যান রাজভবনে।
তাঁদের বক্তব্য PAC চেয়ারম্যান হিসেবে অন্য নাম প্রস্তাব করেছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু তা মানেনি রাজ্য। নিয়মনীতি ত্যাগ করে পদে বসিয়েছেন মুকুল রায়কে। রাজভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, “মুকুল রায় সর্বসমক্ষে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে।
টুইটারে এখন নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে্ন। অথচ খাতায় কলমে তাঁকে বিজেপি বিধায়ক হিসেবে উল্লেখ করে পিএসি-র চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করছেন অধ্যক্ষ। তৃণমূল যেটা করেছে, মুকুলের চেয়ারম্যান হওয়া ‘অষ্টম আশ্চর্য’।” একই সঙ্গে ঘটনার নালিশ জানাতে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।



