সন্দেশখালিকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ৫৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন সন্দেশখালির ‘বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। এরপর কেটে গিয়েছে এক সপ্তাহ। নানা টালবাহানার পর বর্তমানে কেন্দ্রীয় তদন্ত সিবিআই-এর (CBI) হেফাজতে রয়েছেন শাহজাহান। শুক্রবার তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেইসময় প্রথমবার মুখ খুললেন সন্দেশখালিকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত।



আরও পড়ুন: বিজেপির কোন কেন্দ্রের প্রার্থী কুণাল সরকার? জানালেন চিকিৎসক নিজেই!
শুক্রবার শেখ শাহজাহানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন নিজাম প্যালেস থেকে তাঁকে বের করে গাড়িতে ওঠানোর সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ‘এতদিন আপনি কোথায় ছিলেন?’ আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ’? উত্তরে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বলেন, ‘সব মিথ্যে। প্রমাণ হবে। আল্লাহ আছে, বিচার একদিন হবেই।’ আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। যদিও তার জন্য প্রায় দুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের। হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, সিবিআইয়ের কাছে শাহজাহানকে হস্তান্তর করতে হবে সিআইডিকে (CID)।

জানা গিয়েছে, সিবিআইয়ের সাথে ইডির দুই আধিকারিক রয়েছে। এছাড়াও আছে প্রচুর সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট ৫০ জনের একটি দল শাহজাহানের ‘সাম্রাজ্যে’ তদন্ত জারি রেখেছে। বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘সন্দেশখালির বাঘ এখন সিবিআইয়ের হেফাজতে গিয়ে নেংটি ইঁদুরে পরিণত হয়েছে।’


‘খাঁচাবন্দী’ হলেও গর্জন কমেনি! গ্রেফতারির পর প্রথম মুখ খুললেন শাহজাহান

উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Case) গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয়। সেইসময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ওইদিনই স্থানীয়দের হাতে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। ঘটে যায় রক্তারক্তি কাণ্ড। সেই ঘটনার ৫৫ দিন পর গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। ইতিমধ্যেই তাঁকে ৬ বছরের জন্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত করা হয়। শাহজাহান গ্রেফতার হতেই সন্দেশখালিতে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল।







