বাংলাদেশের গণআন্দোলনের জেরে দেশ ছাড়া সে দেশের সরকার। তারপর থেকেই অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ হামলার চালানো হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর। তবে এই পরিস্থিতে দিল্লীর অবস্থান ঠিক কি হবে সেই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধি, মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আরও সাংসদরা।
সরবদল বৈঠকে এদিন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, শেখ হাসিনা ভারতেই রয়েছে। তবে পরবর্তী কালে তার কি পদক্ষেপ রয়েছে সে বিষয়টি হাসিনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার সিদ্ধান্তের জন্য অবশ্যই তাঁকে একটু সময় দিতে হবে। ভারতের ২০০০০ পড়ুয়ার মধ্যে ৮০০০ পড়ুয়া কে ইতি মধ্যেই ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়াও তিনি জানান বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর করা নজর রাখা হয়েছে। তবে সেনা সূত্রে খবর, শেখ হাসিনার সেফ জোন হিসেবে মূলত ইউকে বা ফিনল্যান্ড কে বেছে নেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর এদিন বৈঠকে বিরোধী দলনেতা প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের এই অশান্তির পেছনে কোন বড় শক্তির হাত রয়েছে কিনা? বিষয়ে এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সরকারের পতনের নেপথ্যে বিদেশি শক্তির হাত থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এখনও এই বিষয়ে পোক্ত কোনও প্রমাণ হাতে এসে পৌঁছয়নি বলেও জানান জয়শংকর।
তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আজ বৈঠকে ভারত সরকারের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা জানিয়েছেন সমস্ত বিরোধী দলের নেতৃত্বরা। তবে সূত্রের খবর আজ সংসদেও সমস্ত বিধায়ক দের সামনেও এ বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।



