নজরবন্দি ব্যুরো: মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে বড়ো অঘটন। ন্যাশানালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার রবিবার দল ছেড়ে শিবসেনা-বিজেপি সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এবার দলের দলের পাঁচ হেভিওয়েট নেতাকে ছাঁটলেন কাকা শরদ। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অজিত। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে সরগরম আরব পাড়ের রাজনীতি।
আরও পড়ুন: শহরে পা দিলেন বিশ্বকাপার, মার্তিনেজের সামনে খেলবে মোহনবাগান!


দলের নীতিবিরুদ্ধ কার্যকলাপের কারণে প্রথমে ২ জন ও পরে ৩ জন নেতাকে এদিন বহিষ্কার করলেন শরদ পাওয়ার। বহিষ্কৃত এই নেতারা হলেন, এনসিপির দুই লোকসভা সাংসদ প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুনীল তৎকারে, দলের আঞ্চলিক সাধারণ সম্পাদক শিবাজি রাও গারজে, দলের আকোলা সিটি জেলা সভাপতি বিজয় দেশমুখ এবং মুম্বই বিভাগের কার্যকরী সভাপতি নরেন্দ্র রানে। প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুনীল তৎকারের বহিষ্কার প্রায় নিশ্চিত ছিল। বাকী তিন নেতা অজিত পাওয়ারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার অনুষ্ঠানে হাজির থাকার অপরাধে বহিষ্কৃত হলেন।
I, as the National President, Nationalist Congress Party hereby order removal of the names of Shri Sunil Tatkare and Shri Praful Patel from the Register of Members of NCP Party for anti-party activities.@praful_patel @SunilTatkare
— Sharad Pawar (@PawarSpeaks) July 3, 2023
রবিবার একা অজিত ছাড়াও এনসিপির আট বিধায়ক শিবসেনা-বিজেপি সরকারে যোগ দেন। এঁদের মধ্যে আছেন, ছগন ভুজবল, দিলীপ ওয়ালসে পাটিল, অদিতি টাটকারে, ধনঞ্জয় মুন্ডে, হাসান মুশারিফ, ধরমরাজ বাবারাও আতরাম, সঞ্জয় বাঁসোদে এবং অনিল ভাইদাস পাটিল।
महाराष्ट्रातील जनतेची इच्छा, राष्ट्रवादी काँग्रेस पक्षातील सहकाऱ्यांचा पाठिंबा, विश्वासाच्या बळावर आज राज्याचा उपमुख्यमंत्री म्हणून पद व गोपनीयतेची शपथ घेतली. माझ्या या पदाचा उपयोग जनतेच्या कल्याणासाठी, महाराष्ट्राच्या विकासासाठी होईल असा विश्वास देतो. pic.twitter.com/mvZ2oh7w6u
— Ajit Pawar (@AjitPawarSpeaks) July 2, 2023
যদিও অজিতের দলবদলের ঘটনা প্রসঙ্গে শরদ পাওয়ার বলেছেন, ‘যা ঘটল, তাতে আমি একেবারেই বিব্রত নই। এটা নতুন কিছু নয়। ১৯৮০ সালে আমাদের ৫৮ জন বিধায়ক ছিলেন। তার পর সবাই ছেড়ে গিয়েছিলেন। শুধুমাত্র ছ’জন বিধায়ক ছিলেন। তারপরও আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। যাঁরা আমায় ছেড়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা তাঁদের কেন্দ্রে হেরে গিয়েছিলেন। যাঁরা দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করেছেন এবং শপথ নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে’। আর হলও তাই। একদিনের মধ্যে সাফাই অভিযানে শরদ পাওয়ার।










