নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হতেই শুরু হয়েছে বিরোধী জোটের। শোনা যাচ্ছে বিরোধী পক্ষ থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে শরদ পাওয়ারের। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন পাওয়ার, অন্তত একাধিক বৈঠকেও একই জল্পনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এবার নূপুর শর্মার হয়ে সওয়াল করলেন গম্ভীর ও প্রসাদ


সদ্য সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকাজুন খাড়গে। সেইমতো সপ্তাহেই শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন মল্লিকাজুন খাড়গে। এমনকি কংগ্রেসের তরফে শরদ পাওয়ারকে সমর্থনের জন্য জোরালো প্রস্তাব আনা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও অবধি মুখ খোলেননি এনসিপি প্রধান নিজে।

সূত্রের খবর, বিরোধী শিবিরে আলোচনা এগিয়ে রাখার জন্য তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধভ ঠাকরে, এমকে স্ট্যালিন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন মল্লিকাজুন খাড়গে। সেখানেও শরদ পাওয়ারের নাম নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছে। আগামী ১৫ জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিরোধী শিবিরের বৈঠকে উপস্থিত কারা থাকবেন? সেটা নিয়েও আলোচনা চলছে জাতীয় রাজনীতিতে। সেখানেও কী শরদ পাওয়ারের নাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তাবিত করা হবে?

জাতীয় রাজনীতিতে বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে অন্যতম শরদ পাওয়ার। বিরোধী পক্ষ ছাড়াও সমস্ত পক্ষের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই তাঁকেই প্রার্থী করতে চায় বিরোধী পক্ষ। মহারাষ্ট্রে নির্মিয়মাণ সরকার ভেঙে কংগ্রেস এবং শিবসেনাকে একসূত্রে এনে অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। বিরোধী শিবিরের ম্যান ম্যানেজমেন্টের অনেকটাই দায়িত্ব এখন তাঁর ওপর। সবটা ছেড়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কি ঠিক হবে?


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন পাওয়ার, সমর্থনে কারা থাকবেন?

এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে জেপি নাড্ডা এবং রাজনাথ সিংয়ের ওপর। বিজেপির তরফেও ইতিমধ্যেই বহু নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু এত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ বিরোধী পক্ষ। গতবার বিজেপি মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছিল তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিজু জনতা দল। কিন্তু সময় বদলে এখন বিরোধী শিবিরে নেতাদের সঙ্গে পর পর বৈঠক সারছেন কে চন্দ্রশেখর রাও। তাই বিজেপির এবার চাপ রয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







