নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাংগঠনিক রদবলের পর গত কয়েকদিন ধরেই বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের নিয়ে একাধিক চড়ুইভাতি করে বেড়াচ্ছিলেন বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর। রবিবার রবিবার দিল্লি যাচ্ছেন শান্তনু। বাজেট অধিবেশনের পাশাপাশি দেখা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। এমনটাই সূত্রে খবর। সেখানেই কী সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদলের সম্ভাবনা?
আরও পড়ুনঃ Jagdeep Dhankar: বাংলা গণতন্ত্রের গ্যাস চেম্বার হয়ে যাচ্ছে, রাজ্যপালের নিশানায় রাজ্য


কারণ, দল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত হওয়ার পর শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ঠাকুরনগরের বাড়িতে উপস্থিত হন জয়প্রকাশ মজুমদার ও রিতেশ তিওয়ারি। প্রায় ঘন্টা দেড়েক বৈঠকের পর খোশমেজাজে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁদেরকে। গোটা বৈঠককে কেবলমাত্র সৌজন্য সাক্ষাত বলছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। কিন্তু সম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তা কিছুতেই এড়িয়ে যাচ্ছে না।
জয়প্রকাশ মজুমদারের কথায়, দু’জন রাজনীতিবীদ একসঙ্গে দেখা করলে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে বৈঠক করা স্বাভাবিক। দল সাময়িক বরখাস্ত করলেও দলে আছি এবং কাজ করছি জানিয়েছেন তিনি। মাথায় রাখবেন পোর্ট ট্রাস্ট গেস্ট হাউজে আমাদের বিজেপির কর্মীরা ছিলেন, শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে ছিলেন, সবাই আছেন। আরও বেড়েছে সেটা।
একইসঙ্গে রিতেশ তিওয়ারি জানিয়েছেন, দলীয় যা কথাবার্তা হবে সবটাই সংবাদমাধ্যমে বলা যায়? রাজনীতিকরা একসঙ্গে বসলেও মোয়ার মিষ্টি কম না বেশি তা নিয়ে কি আলোচনা হয়? যা নিয়ে কথা বলার সেটাই আলোচনা হল।


রবিবার দিল্লি যাচ্ছেন শান্তনু, ক্ষোভের বিষয়ে জানাবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে

স্বাভাবিকভাবেই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বৈঠক সাধারণ বৈঠক বলে মনে করছে না রাজনৈতিক মহল। কারণ, জেলা সাংগঠনিক পদকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগণা, নদীয়া, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এমনকি কোচবিহারেও ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তাতেই রাশ টানতে কী বৈঠক । যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, একমাত্র দিল্লির নেতাদের কানে গোটা পরিস্থিতি সবিস্তারে তুলে ধরতে পারবেন শান্তনু ঠাকুর।







