বাংলাদেশের অশান্তির জেড়ে স্তব্ধ সীমান্ত বানিজ্য। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের হিলি সীমান্তে গতকাল থেকেই বন্ধ আমদানি-রফতানির। একই সাথে বন্ধকরে দেওয়া হয় পেট্রাপোল সীমান্তও। সকাল থেকেও থম্থমে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত। বন্ধ দোকান পাট সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত। ফলে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন ভারত তথা বাংলায় চিকিৎসা করাতে আশা বহু বাংলাদেশিরা। এরপরেই বেলার দিকে খুলে দেওয়া হয় পেট্রাপোল সীমান্ত।
গতকাল বাংলাদেশের অশান্তি এবং শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করেছে ভারত। কড়া নজর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায়। বন্ধ করা হয়েছে দু দেশের আমদানি-রফতানি। ফলে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে আটকে মাল বোঝায় লরি। প্রায় ৪০ টি মাল বোঝাই লরি বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। ফলে চিকিৎসা কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসে সমস্যায় পরে অনেক বাংলাদেশী।


তবে আজ বেলা ১২ তার সময় খুলে দেওয়া হয় সেই সীমান্ত । তারপরেই শুরু যাতায়াত। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। । তার পরেই শুরু যাতায়াত। বাংলাদেশ থেকে এদেশে ফিরছে লরি, ট্রাক ও বাস। তবে প্রতিবেশী দেশ থেকে ফেরা অনেকের মুখেই আতঙ্কের ছাপ। এছাড়াও কোচবিহার চ্যাংড়াবাব্ধা সীমান্ত দিয়েও আজ আমদানি রপ্তানি শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে স্থল ও জলপথেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। ইতিমধ্যেই পেট্রাপোল স্থলবন্দরেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। স্থলপথের পাশাপাশি জলপথেও চলছে নজরদারি। নাইট ভিশন ক্যামেরায় নজরদারি।যদিও আজ সকাল ৬ টা থেকেই বাংলাদেশে জারি করা কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। খুলে যাচ্ছে স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে অফিস কাচারি। এই অবস্থায় পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে শুরু হয়ে যেতে পারে বানিজ্য।









