কুর্দিস্তানের জ্যোতিষ্ক আলোকচিত্রকর দারিয়া কাওয়া মির্জা চাঁদের সবচেয়ে পরিষ্কার তুলে শোরগোল ফেলে দিলেন গোটা বিশ্বে। ইতিমধ্যেই সেই ছবিগুলি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদের এত পরিষ্কার এবং কাছের ছবি এর আগে আগে কোনও ফটোগ্রাফার তুলতে পারেননি। ছবিগুলো তুলতে টানা চারদিন চাঁদকে পর্যবেক্ষণ করেন দারিয়া।
ইনস্টাগ্রামে চাঁদের ছয়টি ছবি আপলোড করেছেন দারিয়া। ক্যাপশনে লিখেছেন, “স্বচ্ছ এবং তীক্ষ্ণতম চাঁদের ছবি”! ছবিগুলির সমস্ত ডিটেলস উল্লেখ করেছেন তিনি। শেষ ছবিটি অত্যাশ্চর্য ১৫৯.৭ মেগাপিক্সেল এবং একটি ফাইলের সাইজ ৭০৮ জিবি। দারিয়া যে ক্যামেরাটি ব্যবহার করেছেন সেটি হল, ক্যানন ইওএস ১২০০ডি, লেন্স ব্যবহার করেছেন জেডডবলুও এএসআই ১৭৮ এমসি। কোনও রকম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করা হয়নি বলেই জানিয়েছেন ফটোগ্রাফার নিজে।
ছবিটি প্রথমে রেডডিটে পোস্ট করা হয়। সেখানে আগ্রহীদের মধ্যে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। একজন ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেছিলেন যে, চিত্রের রঙগুলি চাঁদে প্রকৃত ধাতু এবং খনিজগুলির প্রতিনিধিত্ব করে কিনা। একজন ব্যবহারকারী বলেছেন যে চিত্রের রঙগুলি মানুষের চোখ স্বাভাবিকভাবে বুঝতে পারে না। অর্থাৎ কিনা ছবিগুলো এডিট করা হয়েছে। যদিও ফটোগ্রাফার জানিয়েছেন, সামান্য কালার ব্যালেন্স ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি।
একইভাবে, দরিয়া মির্জার চাঁদের ফটোগ্রাফের রঙগুলি বাস্তব, কিন্তু আমাদের চোখগুলি তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় বাছাই করার জন্য যথেষ্ট সংবেদনশীল নাও হতে পারে। এর আগে, নাসার মহাকাশচারী ম্যাথিউ ডমিনিক, যিনি প্রায় চার মাস ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে বাস করছিলেন, প্রশান্ত মহাসাগরের উপরে চাঁদের অস্ত যাওয়ার একটি অত্যাশ্চর্য ছবি ধারণ করেছিলেন।



