বৃহস্পতিবার ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদের বিরুদ্ধে সরব বাংলার সাংসদরা। বাংলায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির ইস্যু নিয়েই এদিন শোরগোল পড়ে যায় সংসদে। দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি নিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন করেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডুকে। বলা হয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জমি চিহ্নিত করে দেওয়ার পরও কেন এগোচ্ছে না দ্বিতীয় বিমানবন্দর তৈরির কাজ। তার পরেই হট্টগোল বাঁধে সংসদে।
জবাবে মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু জানান, যদি বাংলার সরকার জমি দেয় এবং কলকাতা ও বাগডোগরা দুই বিমানবন্দরের মধ্যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে অবশ্যই দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির কাজ অনেকটা গতি পাবে। তার জন্য বিশেষ ভাবে আলাদা কোনো বৈঠক করার কোথাও দিয়েছে নাইডু।


প্রসঙ্গত, কলকাতার নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আদলে রাজ্যে আরও এক বিমানবন্দর তৈরির কাজ শুরু করেছিল রাজ্য সরকার। তবে নেতাজি সুভাষ তথা দমদম বিমানবন্দর ছাড়া রাজ্যের অন্যান্য যে সমস্ত বিমানবন্দর রয়েছে তার মধ্যে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয় উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা বিমানবন্দর। বিশেষ করে উত্তরের দিকে আকাশপথে যোগাযোগের জন্য এই একটিই বিমানবন্দর। পাশাপাশি বায়ুসেনার ব্যবহারের জন্যও এই বিমানবন্দরকেই ব্যবহার করা হয়। তবে আয়তনে কলকাতা বিমানবন্দরের থেকে অনেক ছোট হওয়ায় অধিক চাপ পড়ে যায় এই বাগডোগরা বিমানবন্দরে।

বাংলায় কবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি হবে? শোরগোল সংসদে
তাই বাগডোগরার উপর এই চাপ কমাতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বালুরঘাট, মালদহ এবং কোচবিহারে তিনটি বিমানবন্দর তৈরীর কাজ শুরু করা হয়েছে। এই তিন বিমানবন্দরের কাজ পরিদর্শন করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। তবে এর মধ্যে কোচবিহারের বিমানবন্দরের প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে চালু করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।



এছাড়াও দুর্গাপুরের অণ্ডালে রয়েছে কাজী নজরুল বিমানবন্দর থাকলেও তবে তাতে খুব বেশি বিমান চলাচল করে না। তবে শুধু বাগডোগরা বিমানবন্দর নয়, বর্তমানে কলকাতার নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উপরও বেশ চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে এই চাপ কমাতেই তৎপর রাজ্য সরকার। সেই কারণেই সংসদে উঠে এল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির ইস্যু।







