‘বড় বউ বনাম ছোট বউ’—বিজেপিকে কটাক্ষে তোপ শতাব্দীর, চর্চায় নতুন মন্তব্য

দুবরাজপুরের সভা থেকে বিজেপিকে ‘ছোট বউ’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ শতাব্দী রায়ের, তৃণমূলকে ‘বড় বউ’ বলে স্থিতিশীলতার বার্তা—নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নির্বাচনী মঞ্চে ফের তির্যক আক্রমণ। বীরভূমের দুবরাজপুরে প্রচারে গিয়ে শতাব্দী রায় সরাসরি বিজেপিকে নিশানা করলেন এক অভিনব উপমায়। তাঁর মন্তব্য—“তৃণমূল খারাপ হলে বিজেপি আরও খারাপ”—ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছে।

প্রচারের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছতে ব্যবহার করেন পারিবারিক উদাহরণ। তাঁর কথায়, রাজনীতিকে অনেকটাই ‘বাড়ির বড় বউ’ ও ‘ছোট বউ’-এর সঙ্গে তুলনা করা যায়। তৃণমূল কংগ্রেস-কে তিনি ‘বড় বউ’ হিসেবে উল্লেখ করেন, আর ভারতীয় জনতা পার্টি-কে বলেন ‘ছোট বউ’।

Shamim Ahamed Ads

শতাব্দীর ব্যাখ্যা, অনেক সময় বাড়িতে বড় বউয়ের নানা খুঁত খোঁজা হয় এবং নতুন বউ আনলে সব সমস্যা মিটবে—এই আশায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, নতুন বউও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে না, বরং তখন আগের সিদ্ধান্ত নিয়েই আফসোস করতে হয়। তাঁর মতে, রাজনীতিতেও একই চিত্র—পরিবর্তনের নামে নতুন বিকল্প বেছে নেওয়ার আগে মানুষকে ভেবে দেখতে হবে।

তিনি দাবি করেন, তৃণমূল ইতিমধ্যেই কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করেছে। তাই শুধুমাত্র পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় নতুন শক্তিকে সুযোগ দিলে পরে হতাশ হতে হতে পারে। তাঁর সরাসরি বার্তা—“আমরা কাজ করেছি, তাই আমাদের উপর ভরসা রাখুন।”

এই বক্তব্যে স্পষ্ট, আসন্ন নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতৃত্ব ভোটারদের মধ্যে স্থিতিশীলতা বনাম পরিবর্তনের প্রশ্ন তুলতে চাইছে। অন্যদিকে, বিজেপির বিরুদ্ধে এই কটাক্ষ নতুন রাজনৈতিক তরজা উসকে দিয়েছে।

দুবরাজপুরের সভা থেকে দেওয়া এই মন্তব্য এখন রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উপমা সহজ ভাষায় বার্তা পৌঁছে দিলেও, তা ভোটের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত