নজরবন্দি ব্যুরো: বাইরন বিশ্বাসের তৃণমূলে যোগদানের পর কার্যত ভেঙে পড়েছে সাগরদিঘি মডেল। বিধানসভায় ফের শূন্য কংগ্রেস। এহেন অবস্থায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল শাসক বিরোধী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি তৃণমূলে যোগ দেবেন? কিন্ত সব প্রশ্ন থামিয়ে ভাঙড়ের বিধায়ক পাল্টা দাবি করেন বাংলার শাসক দল তাঁকে কিনতে চেয়েছিল। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন তৃণমূলের বিধায়ক শওকত মোল্লা।
আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তে মমতার পাহাড় সফর বাতিল! কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা!


রবিবার ভাঙড়ের আম্রশ্বরে এক জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শাসক দলের বিধায়ক শওকত মোল্লা। সেখানেই তিনি বলেন, “এই এলাকায় আইএসএফ ও বিজেপির কিছু লোক আছে। আজকে আমাদের জনসভার পর তাঁদের টিকি খুঁজে পাওয়া যাবে না। ভাঙড় বিধানসভা থেকে একটা ভণ্ড, দালাল, চিটিংবাজ নির্বাচিত হয়েছেন। মানুষ তাঁকে ঘৃণা করছে। মাসে এক-দুবার আসেন ঘুরে চলে যান।” শওকত মোল্লা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে নিশানায় এনে আরও বলেন, “হঠাৎ তিনি বলছেন তাঁকে কেনার জন্য মোটা টাকার অফার দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয় কবে এই অফার দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি বলেন বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়।”

ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “গত বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি থেকে শুরু করে সমস্ত বিরোধী দল ধরাশায়ী। ২১৩ টি আসন পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নিয়েছেন। দলের এত অভাব হয়ে গেল চার পয়সার নকুলদানাকে কিনতে হবে! এর থেকে বড় মিথ্যেবাদী, ধাপ্পাবাজ আর কেউ হতে পারে না। তৃণমূল ছাগল কিনতে পারে কিন্তু পাগল কিনবে না।” যোগ করেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করার কথা বলা হয়েছিল বলা হচ্ছে। আমি শুনলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে জল তোলে তাঁর দায়িত্বের কথা বলা হয়েছিল।”



তৃণমূলের বিধায়কের কথায়, একবার ভাঙড়ের মানুষ আইএসএফ-কে ভোট দিয়ে যেভাবে ঠকেছেন, এরপর এই ভুল আর দ্বিতীয়বার করবে না। উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই বাকবিতণ্ডার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিলেন শওকত মোল্লা। তাঁর বিরুদ্ধে ‘চোর’ ‘চোর’ স্লোগান ওঠে। তবে এর নেপথ্যে নওশাদ সিদ্দিকিকেই দায়ী করেছিলেন তিনি। এই ঘটনার তিনমাসের মাথায় ফের বিতর্কিত মন্তব্য শোনা গেল তৃণমূলের বিধায়কের মুখে।
‘তৃণমূল পাগল কিনবে না’, বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল বিধায়কের








