নজরবন্দি ব্যুরো: মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে সিবিআই দাবি করে, রুজিরা নিজেকে থাইল্যান্ডের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। এই প্রশ্নের উত্তরও দেন অভিষেক পত্নী।
আরও পড়ুন: ‘প্রয়াত অমর্ত্য সেন’ খবরটি ভুয়ো, জীবিত রয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ
আদালতে রুজিরা তাঁর মামলায় উল্লেখ করেন, তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকে জড়িয়ে সকল তদন্ত সামনে রেখে মিথ্যে, অর্ধসত্য খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তাঁদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। তাঁর দাবি, অর্ধ সত্য খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তার জেরে মৌলিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে তাঁর ও তাঁর পরিবারের। এই দাবি করেই রক্ষাকবচ চাইছেন রুজিরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি, রুজিরা নিজেকে থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে পরিচয় দিয়েছেন। ভারতীয় সংবিধান মেনে তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয় বলেও পাল্টা সওয়াল করেছে সিবিআই।

এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, সংবিধানের ধারা কি একজন বিদেশিকে এই অধিকার দেয়? অভিষেকের স্ত্রী বিদেশী, থাইল্যান্ডের বাসিন্দা। এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে রুজিরার আইনজীবী বলেন, “১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের রক্ষাকবচ দেওয়ার কথা বলা নেই।” হাইকোর্টে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি ওঠে। সিবিআইয়ের আইনজীবীর আবেদনে মামলার শুনানি অন্তর্বর্তী স্থগিত রেখেছে আদালত।

উল্লেখ্য, কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি নাম জড়িয়েছে তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একাধিকবার তাঁকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কয়েকমাস আগেই বিমানবন্দরে আটকে তাঁর হাতে নোটিস ধরানো হয়। চলতি মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রুজিরাকে তলব করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউণ্ডসে ছয়জন মালিক, তাঁর বাবা, মা সহ সকলের সম্পত্তি খতিয়ান ইডির কাছে চেয়েছে হাইকোর্ট।
রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ রুজিরা, CBI-এর পাল্টা প্রশ্নে জবাব অভিষেক পত্নীর










