নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লা কান্ডে দিল্লি তলব রুজিরা-অভিষেককে, ২৮শে আগস্টের ঠিক আগেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ঘরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির চিঠি আসায় অনেকেই মনে করেছিলেন TMCP-এর প্রতিষ্ঠা দিবসের আগে এই নোটিসে কিছুটা চাপে পড়তে পারে বাংলার শাসক দল।
আরও পড়ুনঃ পুরানো ঘরে ফেরার পালা, রবির বারবেলায় তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সোমেন-জায়া
তবে আজ তৃণমূলের তরফ সাফ জানিয়ে দেওয়া হল এসব বিজেপির ষড়যন্ত্রের বাইরে কিছু না। সূত্রের খবর কয়লা কান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক-রুজিরা ছাড়াও ৩ আইপিএসকেও দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। সহযোগীতার জন্য এই নিয়ে তৃতীয়বার চিঠি গেল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের ঘরে।
আগামী ৮, ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর ডেকে পাঠানো হয়েছে আইপিএস সেলভা মুরুগান, জ্ঞানবন্ত সিং ও শ্যাম সিংহকে। ইডি তরফের খবর ব্যাক্তিগত অ্যাকাউন্টের ডিটেলস সহ সব তথ্য নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অফিসারদের। তবে নিজাম প্যলাসে না ডেকে আচমকা সরাসরি দিল্লিতে ডেকে পাঠানোর ঘটনায় কিছুটা হতবাক সব মহলই।
এদিকে আজ ২৮শের বক্তৃতায় অভিষেক সাফ জানিয়ে দিলেন, এসব ভয় পেয়ে করছে বিজেপি। অভিষেকের কথায়, ‘ইডি, সিবিআইয়ের ধমকি দিয়ে লাভ নেই। বিজেপি-র পায়ের তলার ্মাটি সরে গিয়েছে। অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে এ কথা বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।’
কয়লা কান্ড প্রসঙ্গে মঞ্চে উঠে মমতা বলেন, কয়লা বিক্রির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? কয়লা কেন্দ্রের মন্ত্রক। আমি বলে দিতে পারি অন্তত এক ডজন মন্ত্রী আসানসোলকে লুঠে খেয়েছে। ভোটের সময় তারা এসে কয়লা মাফিয়াদের হোটেলে উঠেছিল। সঙ্গেই মমতার বক্তব্য পারলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনীতির মাঠে লড়ে দেখতে।



