নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলের সঙ্গে তাঁর দুরত্ব অনেক আগে থেকেই বেড়েছে। কিন্তু খাতায় কলমে তিনি এখন বিজেপির সাংসদ। তবুও স্যোশাল মাধ্যমে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন বিজেপি রাজ্যসভার সাংসদ। বুধবারেই ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে গৌরব বিশ্বাসকে প্রার্থী না করার কারণে ফের ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি নেত্রী। বিজেপি তাঁকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে, বিস্ফোরক রূপা গাঙ্গুলী।
আরও পড়ুনঃ ক্যামেরার সামনে অগ্নিমূর্তিতে বিরাট, কিন্তু কেন ?


৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ছিলেন বিজেপির তিস্তা বিশ্বাস। চলতি বছরেই একটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। চলতি বছরের নির্বাচনে তিস্তার স্বামী গৌরবকে প্রার্থী করেনি গেরুয়া শিবির। কিন্তু নির্দল হয়ে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাই ফের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী রূপা গাঙ্গুলী। তাঁর কথায়, “আমার তো আর হোর্ডিং লাগাবার মতো ক্ষমতা নেই। থাকলে দু’জনের ছবি বানাতাম। আমি তিস্তার সঙ্গে আছি থাকবে। নগন্য কার্যকর্তা আমি। তাই একা একাই ৩০ থেকে ৩৫ জন খুনী এবং ধর্ষকদের কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে গ্রেফতার করাতে পেরেছি”।
এরপরেই বিস্ফোরক দাবী করে বসেন রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি বলেন, “তাই তো আমাকে তাড়াতে হয় রাজ্য থেকে। মানুষের উপকারে লেগে থাক। জয়ী হও। জয় মা”। বিজেপি নেত্রীর এই বয়ান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা বিজেপির সঙ্গে রূপা গাঙ্গুলীর সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করেছে। পুরভোটের আগে বিজেপি নেত্রীর এই বয়ান দলকে রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলতে চলেছে।


বিজেপি তাঁকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে, কেন একথা বললেন রূপা?

এর আগে ভার্চুয়াল বৈঠকেও গৌরব বিশ্বাসকে টিকিট না দেওয়ায় সরব হন তিনি। তিস্তা বিশ্বাসের মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি দলীয় নেতৃত্বের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি নেত্রী। একইসঙ্গে টাকা দিয়ে ভোট বিলির অভিযোগ তোলেন দলের বিরুদ্ধেও।
শুধুমাত্র রূপা গাঙ্গুলী নয়, রাজ্য বিজেপির কর্মকাণ্ড নিয়ে খুশি নন অনেকেই। হিন্দু মহাসভা-র রাজ্য কার্যনির্বাহী সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামী বলেছিলেন, তথাগত রায়ের অভিযোগ রাজনৈতিক বিষয় নয়। সামাজিক বিষয়। এখানেও টিকিট নিয়ে একই অভিযোগ উঠেছে। তাই আমরা গৌরবের পাশে আছি।








