নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বিরোধীদের। ভোট ঘোষণার পর থেকেই হাইকোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা, মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণ, গণনা সবেতেই অশান্তি, ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কমিশনের ভুমিকায় অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট। এই অবস্থায় কয়েকটি বুথে নতুন করে ভোটগ্রহণ করাতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন: ‘বিজেপি, রাজ্যপাল মিলেমিশে একাকার’, রাজভবনের বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক Kunal Ghosh


জানা গিয়েছে, হাওড়ার সাঁকরাইলের ১৫ টি বুথে ভোটের দিন ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছিল। ভোট গণনা শেষ হলে দেখা যায় ওই সবকটি বুথে তৃণমূল জিতেছে। এরপরই বিরোধীরা সরব হয়। এদিকে বিডিও-র এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্টের ভিত্তিতে ১৫ টি বুথে নতুন করে ভোট ঘোষণা করে কমিশন। এটি কোনও পুনর্নিবাচন নয়, পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী নতুন করে ভোট নেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। এনিয়ে নানা মহলে আলচনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাইকোর্টে বুথ ভিত্তিক যে অভিযোগ জমা পড়েছে তার জেরেই নড়েচড়ে বসে পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হল।

গত শনিবার (৮ জুলাই) পঞ্চায়েত ভোটের দিন হাওড়ায় তেমন অশান্তি হয়নি বলেই শোনা গিয়েছে। কিন্তু সাঁকরাইলের ১৫ টি বুথে ব্যালট লুঠ করার অভিযোগ এনেছিল বিরোধীরা। এদিকে পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে কমিশনকে। বুধবার একটি মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “কেন মানুষ মার খাচ্ছে? কেন এখনও হিংসা চলছে?” উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ কমিশন তার ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করছে না।



রাজ্যের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, “ফলাফলের পরও অশান্তি সামলাতে পারেনি রাজ্য। রাজ্য যদি নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা না দিতে পারে তবে তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখার বিষয়।” এছাড়া নির্দেশ দেওয়া হয় হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় যে যে বুথগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলি দেখতে হবে কমিশনকে।
হাইকোর্টের ভর্ৎসনার পর নড়েচড়ে বসল কমিশন! নতুন করে ভোটগ্রহণ ১৫ টি বুথে









