নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার উঠে এসেছে এস বসু অ্যান্ড চৌধুরী নামক একটি সংস্থার নাম। কয়েকদিন আগে এই সংস্থা সম্পর্কে মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একই প্রশ্ন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তীকে করেছিল ইডিও। ইডির জেরায় মানিকের দিকেই বল ঠেললেন রত্না।
আরও পড়ুনঃ Manik and Kuntal: মানিকের রাগ ভাঙাতেও টাকা পাঠিয়েছিল কুন্তল, বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরল ইডি


ইডি সূত্রে খবর, সবটা মানিক জানেন। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। গতকাল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দেন রত্না। তৃণমূলের জমানায় দীর্ঘ সময় ধরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। সেই সময় সচিব পদে কর্মরত ছিলেন রত্না। বর্তমানে জেলে রয়েছেন মানিক। তাঁর একাধিক একাধিক কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই রত্নাকে তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর, মানিক সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানতেই তাঁকে তলব করা হয়েছে। এর আগে অবশ্য কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন রত্না। সেখানেও তাঁকে ওই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।

কিছুদিন আগেই তদন্তের কারণে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছিল পর্ষদের দুই প্রতিনিধিকে। ২০১২ এবং ২০১৪ সালের টেট সম্পর্কিত একাধিক নথি নিয়ে তাঁরা উপস্থিত হয়েছিলেন বলেই জানা গেছে। অর্ণব বসু নামে এক কর্মীকে গ্রেফতারের পরেই এবার সচিব রত্নাকে ডেকে পাঠাল ইডি।
ইডির জেরায় মানিকের দিকেই বল ঠেললেন রত্না, ঘনাচ্ছে রহস্য

এস বসু অ্যান্ড চৌধুরী কোম্পানি’ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি এখনও। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বার বার ঘুরেফিরে এসেছে এই সংস্থার নাম। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটের মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে যুক্ত ছিল ‘এস বসু অ্যান্ড চৌধুরী কোম্পানি’।









