বলিউড থেকে রাজনীতিতে পা রাখার জল্পনা নতুন নয়। তবে এবার সেই আলোচনার কেন্দ্রে Ranveer Singh। নাগপুরে Rashtriya Swayamsevak Sangh-এর সদর দফতরে গিয়ে প্রধান Mohan Bhagwat-এর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল—তবে কি এবার রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন অভিনেতা?
সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত তাঁর ছবি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর সাফল্যের মধ্যেই এই সাক্ষাৎ ঘটে। নাগপুরে পৌঁছে রণবীর সাদা কুর্তা-পাজামায় সরাসরি আরএসএস-এর মহল এলাকার সদর দফতরে যান এবং সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় কাটান। পরে তিনি রেশিমবাগে গিয়ে ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরে শ্রদ্ধা জানান, যেখানে আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার ও প্রাক্তন প্রধান গোলওয়ালকরকে স্মরণ করেন।
সূত্রের দাবি, এই বৈঠকে মূলত তাঁর সাম্প্রতিক ছবি নিয়েই আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আরএসএস-এর বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও তাঁকে জানানো হয়। যদিও রাজনৈতিক যোগসূত্রের কোনও আনুষ্ঠানিক ইঙ্গিত মেলেনি, তবুও সময়টা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকেই।
এই সাক্ষাৎ আরও বেশি আলোচনায় এসেছে কারণ ‘ধুরন্ধর ২’ ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে বিপুল সাফল্য পেয়েছে—বিশ্বজুড়ে আয় ১৬০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়েছে। তবে ছবিটিকে ঘিরে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমাও জুড়ে দিয়েছে একাংশ।
এই বিতর্কের মাঝেই পরিচালক Sandeep Reddy Vanga প্রকাশ্যে ছবির পাশে দাঁড়ান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “অনেকেই আগে প্রোপাগান্ডা ছবিতে কাজ করে সফল হয়েছেন, কিন্তু এখন সমালোচনা করছেন।” তাঁর মতে, ছবিটি প্রশংসার যোগ্য।
সব মিলিয়ে, রণবীরের এই নাগপুর সফর শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি তার পেছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা—তা নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। যদিও অভিনেতার তরফে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য আসেনি, তবুও প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে—বলিউডের ‘বাজিরাও’ কি এবার বাস্তবের রাজনীতিতেও নামবেন?



