নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের ফলাফলে বিপুল আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল। তৃণমূলের অয়ের সেই আঁচ গিয়ে পৌঁছালো উত্তর-পূর্বে। তৃণমূলের কলকাতা জয়ের সেলিব্রেশন ত্রিপুরায়, সবুজ আবীরে মাতলেন সুবল ভৌমিকরা। সঙ্গে দেখা গেল রাজ্যেরই আর এক নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
আরও পড়ুনঃ দুই তৃতীয়াংশ ওয়ার্ডে দ্বিতীয় স্থানে বাম, তৃণমূলের চক্রান্ত দেখছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি!


রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুজ সৈনিক ছিলেন এক সময়। বাধ সাধল তাঁর দলবদল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যান তিনি। নির্বাচনের পর নিষ্ক্রিয় থেকে ফিরে আসেন তৃণমূলে। হাওড়া সহ রাজ্যের কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশের কারণে ত্রিপুরায় তৃণমূলে কামব্যাক হয় তাঁর।
খাতায় কলমে তিনি এখন ত্রিপুরা তৃণমূলের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য। কিন্তু দলীয় ক্ষোভ প্রশমন না হওয়ায় এখনও রাজ্যে ফেরাতে সাহস পায়নি তৃণমূল।রাজীবের দলবদলে ক্ষোভ দেখান ডোমজুড়ের বিজেপি বিধায়ক। এমনকি শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সম্প্রতি নিজের প্রাক্তন বিধানসভা কেন্দ্র ডোমজুড়ে এক কর্মীর প্রয়াণে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন রাজীব। তাঁকে ঘিরে শুরু হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান৷ এমনকি ‘মীরজাফর’ বলতে শুরু করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। পরে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছিল উনি এখন ত্রিপুরাতেই থাকবেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী কয়েক বছর ত্রিপুরায় থাকার কথা রাজীবের।


কলকাতা জয়ের সেলিব্রেশন ত্রিপুরায়, উত্তর-পূর্বে সবুজ আবীর

গোটা বিষয়টি তৃণমূলের দলীয় বিষয় হলেও সান্ত্বনা পুরস্কার হিসাবে রাজীবের ভূমিকায় পিঠ চাপড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহল। এদিন শুধুমাত্র রাজীব নয়, তৃণমূলের জয়ের জোয়ারে গা ভাসালেন আগরতলার তৃণমূল নেতারাও। গত মাসে ত্রিপুরার পুর নির্বাচনে একমাত্র ওয়ার্ডে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। নিভু নিভু করা ত্রিপুরা তৃণমূলের সলতেতে যেন আগুন লাগল এবার।







