নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় এখন সৌজন্য বার্তা সৌজন্যের সঙ্গে জল্পনা আর বিতর্ক বয়ে নিয়ে আসে। একথা গত তিনমাসে বাংলার মানুষ বুঝে গেছে খুব ভালো ভাবে। আর তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়ে অভিনেতাদের রাজনৈতিক নেতা হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুধু বাংলা কেন গোটা দেশেই প্রয়াশই ঘটে থাকে। তাই নেতা আর অভিনেতার সাক্ষাৎ সবসময়ই তৈরি করে নতুন বিতর্ক। আর এই মুহূর্তে বাংলার যা পরিস্থিতি তাতে একজন নেতা আর এখন অভিনেতার সাক্ষাৎ মুহূর্তে লাখ টাকার প্রশ্ন তৈরি করে।
আরও পড়ুনঃ মুখোমুখি দুই হভিওয়েট, দক্ষিণ ২৪ পরগণায় একই দিনে সভা অমিত- মমতার


সেরকমই সরস্বতী পুজোর দিন জন্ম নিয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ। একদিকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শুধু অভিনেতাই নন, এই মুহুর্তের টলিউডের বটগাছ এককথায় তিনি। একের পর এক সিনেমা থেকে টলিউডের একাধিক দায়িত্ব অভিভাবকের মত সামলে চলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারের অন্যদিকে অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ফাউন্ডেশনের কর্তাদের মধ্যে একজন। মাঘী পঞ্চমিতে সস্ত্রীক অনির্বাণ গিয়েছেন প্রসেনজিতের বাড়ি।
হাসি মুখে নায়কের হতে তুলে দিচ্ছেন অমিত শাহের লেখা বই। এসব ছবিই দেখা গিয়েছিল, আর তা থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল জল্পনা। কারণ এই মুহূর্তে রাজ্যের জন্য কিছু করার তাগিদে বেশ তড়িঘড়ি করে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন টলিপাড়ার ছোট পর্দার একাধিক কুশলী। এমনিতেও রাজনীতির সঙ্গে টলিপাড়ার যোগাযোগ অনেকদিনের। প্রসেনজিতের এক নায়িকা দেবশ্রী অনেকদিন ধরেই তৃণমূলে। বিজেপি যোগ নিয়েও উঠেছিল জল্পনা। শতাব্দীও রাজনীতিতে বহু দিন হলো। হটাৎ মহাগুরু মিঠুনের বাড়িতে মহিন ভাগবতের উপস্থিতিও জল্পনা বাড়িয়েছে একধাপ।
তার মধ্যেই আবার প্রসেনজিতের বাড়িতে অনির্বাণের সৌজন্য সাক্ষাৎ। যদিও অনির্বাণ নিজেই জানিয়েছিলেন যে শুধুই সৌজন্য বার্তা ছিল। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে ভিক্টোরিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্যই ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন তিনি। কথা হয়েছে রাজ্যের সংস্কৃতি, মানুষের ভালো মন্দ নিয়ে। প্রসেনজিতের সঙ্গে রাজ্যের সরকারের দূরত্বের শুরু হয়েছিল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সময়। অনেকেই তখনই নতুন জল্পনা তৈরি করেছিলেন।


তবে তাও আসে আসতে ধুলো চাপা পড়ছিল। এবার অনির্বাণ সাক্ষাতে ফের উঠছে জল্পনা। তবে যাঁকে নিয়ে এই জল্পনা তিনি রীতিমত হতবাক। বাংলার প্রথম সারির একটি সংবাদমাধ্যমকে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন যদি রাজনীতি করতে হয় ৫ বছর ধরে ভেবে চিন্তে তবেই কোনো দলে যাবেন,এভাবে লুকিয়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার মানুষ নন তিনি। সঙ্গে এও যোগ করেন অনির্বাণের স্ত্রী মেয়ে তাঁর ভক্ত,তাই তাঁরা এসেছিলেন। রাজনীতিতে যাওয়ার হলে সকলকে জানিয়ে বুক ফুলিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।








