নজরবন্দি ব্যুরো: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত ১৬ জানুয়ারি দেশে টিকাকরণ অভিযানের সূচনা করেন।টিকাকরণের প্রথম পর্বে শুধুমাত্র ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার যাঁরা করোনা যুদ্ধে প্রথম সারিতে কাজ করছেন তাঁদেরই টিকা দেওয়া হয়। টিকাকরণের প্রথম ধাপে টিকা নেন চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে দেশের নিরাপত্তা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা কর্মীরা।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মন্তব্য মমতার, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি!


টিকাকরণের পরবর্তী ধাপ গুলিতে ৪৫ বছরের উপরের সব মানুষজনকে টিকা দেওয়া চলছে। দেশজুড়ে টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় গতি বাড়াতে তৎপরতা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১ মার্চ করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেন। দেশে টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্যায়ে টিকা নেন মোদী।সেই পর্বে প্রবীণ নাগরিক ও ৪৫ বছরের উপরে যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাঁদেরই টিকা দেওয়া হচ্ছিল।তবে ১ এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের উপরে থাকা প্রত্যেককে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লির AIIMS-এ গিয়ে টিকা নিয়েছেন। যাঁরা প্রতিষেধক নেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচিত হচ্ছেন তাঁদের প্রত্যেককে করোনার টিকা নিতে উৎসাহিতও করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির AIIMS-এ গিয়ে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন । এদিন দেশবাসীকেও করোনামুক্ত থাকতে টিকা নিতে আবেদন জানিয়েছেন মোদী।
এদিন করোনা টিকা নেওয়ার পর টুইটে প্রধানমন্ত্রী লিখেন, ‘‘AIIMS-এ করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজটি পেয়েছি। ভাইরাসকে পরাস্ত করতে টিকাকরণ হল একটি উপায়। আপনি যদি ভ্যাকসিন নেওয়ার যোগ্য হন তবে শীঘ্রই আপনার ডোজটি নিয়ে নিন।”


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,মাত্রাছাড়া করোনা সংক্রমণে দিশেহারা দেশের একাধিক রাজ্য। করোনা মোকাবিলায় দেশে দুটি প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার প্রতিষেধকটি এদেশে বানাচ্ছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট ও হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর মিলে বানাচ্ছে কোভ্যাক্সিন। বর্তমানে দেশে এই দুটি ভ্যাকসিনই প্রয়োগ করা হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণে লাগাম পরাতে দ্রুত গতিতে টিকাকরণ ভালো ফল দিতে পারে বলে মনে করছেন।







