নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচনের আগে জোটের বিপক্ষে অনড় ছিলেন কংগ্রেস নেতারা। বুথফেরত সমীক্ষা দেখে ভোল বদলাচ্ছেন তাঁরা। সরকার গড়তে বিজেপি বিরোধী সমস্ত দলকেই স্বাগত জানাচ্ছে তাঁরা। এবার তৃণমূলকে জোটবার্তা কংগ্রেসের। এমনকি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আপকেও স্বাগত জানাচ্ছে তাঁরা। সোমবার গোয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা দীনেশ গুণ্ডুরার এই মন্তব্যে কার্যত তোলপাড় শুরু হয়েছে। আর সেই খবর কানে পৌঁছাতেই মঙ্গলবার গোয়ায় উপস্থিত হচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


সূত্রের খবর, কংগ্রেসের সঙ্গে গোয়ায় জোটের বিষয়ে সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আলোচনা সেভাবে ইতিবাচক হয়নি। পরে জোটের জন্য খোলা প্রস্তাব দিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। সেখানে জোটের বিপক্ষেই অনড় ছিলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের দাবী ২০ থেকে ২২ টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করবে তাঁরাই।
কিন্তু সোমবার ভোলবদল হয়েছে কংগ্রেসের। দীনেশ গুণ্ডুরা জানিয়েছেন, বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে কথা বলতে রাজি তাঁরা। যে কোনও দল যারা বিজেপির বিরোধিতা করছে তাঁদেরকে নিয়ে চলতে চায় তাঁরা।
তিনি আরও বলেন, ভোটের সমস্য তৃণমূল এবং আপের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু ভোটের পরের বিষয় একেবারে আলাদা। তিনি স্পষ্ট করেছেন বিজেপি বিরোধী যে আপ এবং তৃণমূল সেটা তাঁদের প্রচারে স্পষ্ট হয়ে গেছে। এখন বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোটে কোনও আপত্তি নেই।


কংগ্রেসের তরফে এই প্রস্তাব আসার পরেই গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন অবধি গোয়াতেই থাকবেন তিনি। অন্যদিকে গোয়ায় উপস্থিত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম।
এবার তৃণমূলকে জোটবার্তা কংগ্রেসের, গোয়া যাচ্ছেন অভিষেক

সূত্রের খবর, ৪০ টি আসনের মধ্যে গোয়া থেকে ৩ টি আসন পেলেও সেটা সরকার গঠনের জন্য শেষ মুহুর্তে ট্রাম্পকার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে পারে ঘাসফুল শিবির। তাই আগে থেকে হাওয়া বুঝেই গোয়ায় উপস্থিত হয়েছেন অভিষেক। এবার হয়তো জোট নিয়ে চিদম্বরমের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক দিতে খুলতে পারে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।







