নজরবন্দি ব্যুরো: কলেজে ভর্তির সময়সীমা বাড়াল রাজ্য সরকার। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি হওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে রাজ্যের কলেজগুলিতে। আজ পার্থ বাবু বলেন, যে সব কলেজে এখনও আসন ফাঁকা রয়েছে কিন্তু পড়ুয়ারা ভর্তি হতে পারেননি, তাঁরা যাতে ভর্তি হতে পারেন তাই তাঁদের জন্য শিক্ষা দফতর আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার নোটিস জারি করবে।
আরও পড়ুনঃ করোনার হানায় মৃত্যু আরও এক সরকারি চিকিৎসকের।
২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য স্নাতক স্তরে অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ১০ই আগস্ট৷ ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই ভর্তি প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল৷ কিন্তু, অনলাইনে ভর্তির আবেদন করেও অনেকে সুযোগ পাননি পছন্দের কলেজে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পড়ুয়ার ৯০ শতাংশের বেশি নাম্বার থাকা সত্বেও হয়নি সুযোগ। কারন করোনা পরিস্থিতিতে নতুন পদ্ধতিতে রেজাল্ট বের হওয়ার জন্যে প্রায় প্রত্যেকেই ঢালাও নাম্বার পেয়েছেন। যারা ভর্তি হতে পারলেন না তাঁদের জন্যেই এই মানবিক উদ্যোগ।
এদিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা যাদবপুরের অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র কে সাথে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে রাজ্যের কলেজ গুলিতে। যেসব কলেজে এখনও আসন ফাঁকা রয়েছে সেখানে বর্ধিত সময়ের মধ্যে ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হতে পারবেন। নোটিশ জারি হবে আগামীকাল।
উল্লেখ্য, আগেই স্নাতক স্তরে ভর্তি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। পার্থ বাবু জানিয়েছেন এই বছর পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ও সরকার পোষিত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতক স্তরের ভর্তিতে কোন ফি দিতে হবেনা। পার্থবাবু জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কোভিড পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পকেটের দুরবস্থার কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থের কারনে যেন শিক্ষা বিঘ্নিত না হয় সেই ব্যাপারেই সচেষ্ট হয়েছে সরকার বলে জানান তিনি।
শুধু ভর্তির ফি নয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলি ফর্ম ফিলাপ বা অন্য কিছুর ক্ষেত্রেও পড়ুয়া দের থেকে কোন টাকা নিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কারন অনেক কলেজ সরাসরি অর্থ না নিলেও অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এবং প্রস্পেকটাস এর জন্যে টাকা নেয় পড়ুয়াদের কাছ থেকে। এই বছর সেসব চলবে না বলে সাফ নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।



