নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দলেরই সাংসদ। প্রত্যুত্তরে দলের নেতাদের একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক পারদ ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে। তাই দলের সমস্ত নেতাদের সাবধান করে দিলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বললেন, দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করুন, অন্যথায় কড়া পদক্ষেপ।
আরও পড়ুনঃ নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়! সুজন


এদিন সমস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একের পর মন্তব্য করা হচ্ছে। যা দলের ভাবমুর্তিকে নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। আমি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছি। এরপর থেকে আপনারা এ ধরনের বক্তব্য দলের অভ্যন্তরে এসে বলুন। এরপরেও যদি কোনও সদস্য তা না মানেন তাহলে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে”।
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বলেন, “সমস্ত বিষয়টা দলের শৃঙ্খলা কমিটি দেখছে। এটা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যারা দলের আদর্শের প্রতি বিশ্বাসী তাঁরা যেন এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকেন। শুধুমাত্র তিনি নয়, যারা যারা এধরনের মন্তব্য করছেন সকলকে আমি ব্যক্তিগতভাবে এবিষয়ে কথা বলছি। আমরা বলেছি এধরনের কোনও মন্তব্য থেকে বিরত থাকেন”।
সম্প্রতি ডায়মণ্ড হারবারে কোভিড মোকাবিলা নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত মন্তব্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দুই মাস সমস্ত অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা জানান তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্যকে যখন রাজ্যজুড়ে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে, তখন দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের বক্তব্যের সমালোচনা করে বসেন।


দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করুন, দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি পার্থর

পাল্টা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলে পড়েন কুণাল ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার এমনকি মদন মিত্ররা। কড়া বাক্যবাণে একে অপরকে বিদ্ধ করতে শুরু করেন তৃণমূলের প্রথম সারীর নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হয় বর্ষীয়ান নেতাদের। আলাদা করে সকলের সঙ্গে বৈঠক করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার সকলকে সাবধান করে দিলেন তিনি।







