নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়! সুজন

নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়! সুজন
নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়! সুজন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১২ ফেব্রুয়ারি হবে চার পুরসভার ভোট, ১৫ই ফলপ্রকাশ। তৃণমূল নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের শাসক দলের আবেদন পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। জারি করা হয় নতুন বিজ্ঞপ্তি। আর  এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

আরও পড়ুনঃ নারীচক্রের সংসর্গ থেকে রোগের সূত্রপাত, বিজেপির মৃত্যু হতে চলেছে বাংলায়! বিস্ফোরক তথাগত

এদিন কমিশন রাজ্যের ৪ টি পুরসভায় নির্বাচন নিয়ে নতুন দিন ঘোষণা করার পর এক প্রতিক্রিয়ায় সুজন চক্রবর্তী তীব্র শ্লেষ ব্যাক্ত করেছেন। সুজনের দাবি, ন্যুনতম নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই নির্বাচন কমিশনের। তাঁদের কাজ শুধু তৃণমূলের তাঁবেদারি করা। তাঁর কথায়। “তৃণমূল যেহেতু বলেছে তাই ভোট পিছিয়ে দিল, এতদিন যেহেতু তৃণমূল বলেনি তাই ভোট পিছিয়ে দেওয়া হয়নি।”

তাঁর কথায়, “যখন ২২শে জানুয়ারি ডেট করেছিল তখন আমরা স্পষ্ট ভাবে বলেছিলাম, সর্বদলীয় বৈঠক ছাড়া এই নির্বাচন ঘোষণা হচ্ছে। তাছাড়া ২২শে জানুয়ারি ডেট কোনভাবেই সমীচীন নয়। কারন ২৩শে জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিন, ২৫শে জানুয়ারি ন্যাশন্যাল ভোটার্স ডে তারপর ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস। তাছাড়া যেভাবে কোভিড বাড়ছে তাতে এখন ভোট করানোর কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমাদের কথায় পাত্তা দেয়নি কমিশন। যখন তৃণমূল বলল তখন সাথে সাথেই সুর বদলে গেল কমিশনের।”

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালেই নবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় কমিশন চাইলে ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় আপত্তি নেই তাদের। যদিও একইসঙ্গে রাজ্যের বক্তব্য ছিল, করোনা মোকাবিলায় সবরকম ব্যবস্থা তারা করছে। যদিও ভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবি আগেই তুলেছিল বিরোধীরা। এমনকী রাজ্যের এদিন চিঠি দেওয়া নিয়েও চরম কটাক্ষের সুর শোনা যায় বাম-কংগ্রেস নেতাদের গলায়।

নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়! সুজন

নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়
নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই, নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূলের কথায়

উল্লেখ্য, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে শুক্রবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারের মতামত জানতে চাওয়া হয়। এরপর রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায় যে, ভোট পিছনোর ক্ষেত্রে তাদের কোনও আপত্তি নেই। নির্বাচন কমিশনকে সাহায্যের জন্য যা যা দরকার, সেইসব করতে প্রস্তত তারা। এরপরই কমিশনের সামনে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কেটে যায় যাবতীয় বাধা।