Partha Chaterjee: কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, ২১ তারিখ অবধি সিবিআই হেফাজতে পার্থ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ তদন্তের স্বার্থে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে হেফাজতে নেওয়া দরকার। সেই আবেদন জানিয়ে আলিপুর আদালতে উপস্থিত হয় সিবিআই। সেখানে জামিনের জন্য কাতর স্বরে আবেদন জানান। শেষ অবধি কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না। ২১ তারিখ অবধি হেফাজতে নিল সিবিআই। একইসঙ্গে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে।

আরও পড়ুনঃ দিনে ২৮টা ওষুধ খাই, আমি এমবিএ, ডক্টরেট, কাকা সাহিত্যিক! জামিন চাইলেন পার্থ।

তাঁর প্রশ্ন, ‘‘আমার ভূমিকা কী? প্রাথমিক বোর্ড কিংবা এসএসসি স্বয়ংশাসিত দফতর। তারা প্রার্থীদের চয়ন করত। আমি অর্থনীতিতে স্নাতক।’’ এর পর তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের পরিচয় তুলে ধরেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ‘আমার কাকা প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক ছিলেন। আমার মা-বাবা দু’জনেই ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। আমি নিজে এমবিএ, ডক্টরেট। রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র ছিলাম। দীর্ঘদিন একটি নামী সংস্থায় উঁচু পদে চাকরি করেছি। আমায় জামিন দেওয়া হোক।”

কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, সিবিআইয়ের হেফাজতে পার্থ
কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, সিবিআইয়ের হেফাজতে পার্থ

তার পর বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘‘স্যার আমি খুব অসুস্থ। কে আমাকে সাহায্য করবে? সারা দিন অনেক ওষুধ খাই।’’ প্রায় কাঁদতে কাঁদতে করুণ মুখে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারের প্রতি আস্থা রাখছি। আপনি আপনার মতো বিচার করবেন। আপনার কাছে বিচারের আশায় আছি।’’

সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে, তরফে দাবি করা হয়েছে, নিয়ম না মেনে ৪০০ জন অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে। এমনকি বেশ কয়েকজন আধিকারিকরা যুক্ত রয়েছেন দুর্নীতির সঙ্গে। তাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সিবিআই।

কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, সিবিআইয়ের হেফাজতে পার্থ

কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, সিবিআইয়ের হেফাজতে পার্থ
কেঁদে ভাসিয়েও কোন লাভ হল না, সিবিআইয়ের হেফাজতে পার্থ

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের যুক্তি, সিবিআই ও ইডির ষড়যন্ত্রের কারণে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেলবন্দি রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর ভূমিকা কী ছিল? সেটা খতিয়ে দেখা হোক। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে তিনি যুক্ত নয় বলেও দাবি করছেন। তাহলে পার্থ ছাড়া কার নির্দেশে হত দুর্নীতি? তা জানতেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হেফাজতে নিতে চায় সিবিআই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত