নজরবন্দি ব্যুরোঃ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, এক দেশ, এক রেশন কার্ড আর এক দেশ, এক ভোট । প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই এই তিনটি উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করতে সওয়াল করছেন নরেন্দ্র মোদী সরকার। আর লোকসভার ভোটের অনেক আগেই ফের একবার এই নিয়ে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ২৮ জুলাই, একনজরে আজকের দিনের নানা ঘটনাবলী


গতকাল রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘এর ফলে যে বিপুল অর্থের সাশ্রয় হবে তা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচারে ব্যয় হতে পারে। এই নীতি কার্যকর হলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের গতিও বাড়বে।’’ এই ব্যবস্থা কে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন, নির্বাচন কমিশনও এই ভাবনাকে সমর্থন জানিয়েছিল।

এই ব্যাবস্থা নিয়ে মোদী সরকারের যুক্তি ছিল, এই দেশ ও এক ভোট হলে যেমন নির্বচনের খরচ কমবে তেমনি এক ভোটার তালিকায় দুইটি ভোট করা যাবে। সরকারি কর্মীদের তালিকা তৈরির কাজের চাপ কমবে।

যদিও বিরোধী দলগুলি গোড়া থেকেই ‘এক দেশ এক ভোট’ পদ্ধতির বিরোধিতা করে এসেছে। বিরোধীদের যুক্তি ছিল এই নীতি নিয়ে মোদী সরকার ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে।


লোকসভা ভোটের আগে, ‘এক দেশ এক ভোট’ নীতি নিয়ে কী জানালেন মন্ত্রী

যা সংসদীয় গণতন্ত্রিক ভাবনার পরিপন্থী । এছারাও ‘এক ভোট’ ব্যবস্থা চালুর পরে কেন্দ্রে বা কোনও রাজ্যে পাঁচ বছরের আগেই নির্বাচিত সরকার পড়ে গেলে কী হবে, প্রশ্ন রয়েছে তা নিয়েও।







