চিকিৎসা করাতে এসে বিপত্তি, ৪ দিন লিফটে আটকে মহিলা, ফের বিতর্কে এনআরএস

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো : একদিকে যখন রাজ্যে উর্ধমুখী করোনা গ্রাফ সেই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে চালু থাকা কোভিড ইউনিট বন্ধ করে রীতিমতো বিতর্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল শহরের এনআরএস হাসপাতাল কে ঘিরে। সেই অবস্থা কাটতে না কাটতেই ফের বিতর্কে জড়াল নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ।

আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে! অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করতে সব রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

জানা গিয়েছে, বেশ কিছু বছর ধরে স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছিলেন পশ্চিম চন্ডীপুরের বছর ষাটের আনোয়ার বিবি। তাই চিকিৎসার জন্য সোমবার সকালে নিজে থেকেই ট্রেন ধরে চলে আসেন শিয়ালদহ স্টেশনে। সেখান থেকেই হাঁটা পথে পৌঁছে জান নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে।

সেখানে নিয়ম মেনে টিকিট ও কাটেন তিনি। কিন্তু এরপর ডাক্তার দেখানোর জন্য ছোট লিফটে উঠতেই মাঝপথে ঘটে যায় বিপত্তি। প্রায় ৪ দিন লিফটে আটকে থাকার পর সেখান থেকে বেড়োতে পারেন তিনি! যা শুনে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা শহরে । সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আনোয়ারা বিবির ছেলে আবুল হোসেন মণ্ডল বলেন, “এক বোতল জল আরেকটা চিড়ের প্যাকেট নিয়ে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত আমার মা লিফটের মধ্যে আটকে ছিলেন। তারপরে সেদিন দুপুরের দিকে হাসপাতাল থেকে কেউ একজন ফোন করে বলেন আপনার মা হাসপাতালের ফাঁড়িতে আছেন। এসে নিয়ে যান।”

তার ছেলে আরো বলেন, সেদিন রাত থেকেই একাধিক জায়গায় খোঁজ চালিয়ে ও মায়ের কোনো হদিস পাইনি তবে কিভাবে এই কদিন এন আর এস হাসপাতালের লিফটে আটকে থাকল মা তা কিছুতেই বুঝতে পারছি না। শোনা গিয়েছে এই চারদিন এক প্যাকেট চিড়ে ও একবোতল জল নিয়েই নাকি কাটিয়েছেন বছর ষাটের ওই মহিলা।

চিকিৎসা করাতে এসে বিপত্তি, ৪ দিন লিফটে আটকে মহিলা, ফের বিতর্কে এনআরএস

তবে এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমতো হতবাক হয়ে গিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তা ও চিকিৎসকেরা। তাদের কথায় এন আর এসের মত ব্যাস্ত হাসপাতালে আদৌ কি করে এটি সম্ভব হল তা বোঝার বাইরে। তবে এই নিয়ে দফায় দফায় হাসপাতাল সুপার কে ফোন করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত