নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘রাজ্যের উন্নয়নে বাঙালি থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি’: দিলীপ ঘোষ ।সামনেই বিধানসভা ভোট। আর এই ভোটকে ঘিরেই শুরু রাজনৈতিক তরজা। একে অপরকে নিশানা করেই চলছে বাকযুদ্ধ । আর এই বাকযুদ্ধের মাঝেই বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের । ভোট বাক্সের কথা মাথায় রেখেই এদিন বাঙালি ও অবাঙালি ইস্যুকে টেনে আনলেন তিনি ।


আর তাতেই এদিন বির্তকে জড়ালেন এই বিজেপি নেতা । এদিন তিনি বলেন, “ব্রিটিশ আমলে থেকে রোজগারের জন্য বাইরের মানুষ বাংলায় এসেছেন। গঙ্গার পাড়ে জুটমিলে বেশিরভাগ বাংলার বাইরের মানুষ কাজ করতেন। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি।” এবার নির্বাচনে বাংলাই টার্গেট বিজেপির আর সেই কথা মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও চান বাঙালির মন জয় করতে । সেই কারণেই দুরগাপুজোর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেছিল ধুতি পাঞ্জাবির বেশে ।
আর তাতেই বিজেপি যে বাঙ্গালিদের মনজয় করতে উদ্যোগী তা স্পষ্টই বোঝাগেছিল। অথচ এরি মাঝে আবারও বাঙালি ও অবাঙালি বিতর্কের সৃষ্টি করলেন দিলীপ ঘোষ । আর তাতেই গেরুয়া অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির । শুভেন্দু মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরে গেরুয়া শিবিরে বেরছিল অস্বস্তি । আর এরপরেই রাতে উত্তর কলকাতার বাড়িতেই বৈঠক হয়। এই বৈঠকের বিষয় এদিন বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এতদিন তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ চলছিল। এবার মানভঞ্জন করছে।”
‘রাজ্যের উন্নয়নে বাঙালি থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি’: দিলীপ ঘোষ ।শুধুতাই নয় রাজ্যসরকারের কর্মসূচী ‘দুয়ারে দুয়ারে সরকার’ নিয়েও এদিন রাজ্যকে হুঁশিয়ারী দেন তিনি । আর এদিন এরে পাল্টা জবাব দিলেন ফিরাদ হাকিম । তিনি বলেন,“এই কর্মসূচিকে ভয় পেয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের এখন কিছুই করার নেই, যতক্ষণ না নির্বাচন ঘোষণা হচ্ছে।”









