নজরবন্দি ব্যুরোঃ নয় বছর অতিক্রান্ত, বরুন হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো অধরা। সাজা পেল না সুটিয়ার গনধর্ষণের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী বরুন বিশ্বাসের খুনিরা। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সুটিয়ার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে এবার পালিত হবে “খেলা হবে দিবস”


সুটিয়ার প্রতিবাদী মঞ্চ থেকে বরুন বিশ্বাস এর বাড়ির কাছে এক স্মরণ সভার আয়জন করা হয়। সেই সভা থেকেই তাঁর দোষীদের শাস্তির দাবী ওঠে। ওই মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দার এদিন বলেন “বরুণকে যারা খুন করেছিল, তারা গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও অধরা। তাদের গ্রেফতার করা হোক।’’ তাঁদের বিচার ব্যবস্থার উপর ভরসা নেই কিন্তু তাঁরা এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চায়।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গাইঘাটার সুটিয়ার বিভিন্ন বাড়ি থেকে মহিলাদের ধর্ষণ করতো দুষ্কৃতীরা। এর প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা একটি প্রতিবাদী মঞ্চ তৈরী করে,যার অন্যতম সদস্য ছিলেন সুটিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা তথা কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনের শিক্ষক বরুন বিশ্বাস। তাঁকে দুষ্কৃতিরা গোবরডাঙ্গা স্টেশনে গুলি করে হত্যা করা হয়।
রাজ্যের পুলিশ ও জিআরপি গ্রেফতার করে ৬ জনকে, পরে এই তদন্তের দায়িত্ব নেয় সিআইডি। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় আগেই ধরা পড়েছিল সুশান্ত চৌধুরী। জানা যায়, এই সুকান্তই দমদম সেন্ট্রাল জেলে বসে খুনের ছক কষেছিল । এই সুশান্ত সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলায় চার্জশিট জমা হয় বনগাঁ আদালতে। পরে জেলে মারা যায় সুশান্ত। সেই মামলা এখনও বনগাঁ আদালতেই বিচারাধীন। তবে এক নাবালক অপরাধীর সাজা হয় জুভেনাইল আদালতে। দু’জন এখনও ফেরার পুলিশের খাতায়। কিন্তু খুনের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের ধরা হয়নি বলে দাবি প্রতিবাদী মঞ্চের এবং পাশাপাশি যারা জেলে আছে, তাদেরও সকলের সাজা ঘোষণা হয়নি।


নয় বছর অতিক্রান্ত, বরুন হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো অধরা। নয় বছর পেড়িয়ে গেল। এদিকে বরুন বিস্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বলেন সিআইডি তাঁদের কোনোরকম জিজ্ঞাসাবাদ করে নি। উল্টোদিকে আদালতের মুখ্য সরকারি আইনজীবী সমীর দাসের বক্তব্য ‘‘বরুণ খুনের মামলাটি ফাস্ট ট্র্যাক-১ আদালতে চলছে। ওই আদালতে দীর্ঘদিন ধরে কোনও স্থায়ী বিচারক ছিলেন না। করোনা পরিস্থিতিতে শুনানির কাজ ধীর গতিতে চলেছে। এখন স্থায়ী বিচারক এসেছেন। ৩ রা আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন বরুণের বাবার সাক্ষ্য নেওয়া হবে।’’







